মায়ানমার সরকার ২০১১ সালের পর থেকে এরূপ কোনো সম্ভাবনাকে সম্পূর্ণ অস্বীকার করছে।

যদিও মায়ানমার সরকার অস্বীকার করেছে, কিন্তু ট্রাম্প প্রশাসনের দাবি—উত্তর কোরিয়ার সাথে সামরিক সম্পর্ক বজায় রেখেছে মায়ানমার।

আমেরিকার স্টেট ডিপার্টমেন্টের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, মায়ানমারের অতীত সামরিক শাসনের সূত্র ধরে উত্তর কোরিয়ার সাথে তাদের যোগসাজশ নিয়ে চিন্তিত আমেরিকা। জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি মনে হলে প্রয়োজনে মায়ানমারের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক সংগঠনের মাধ্যমে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টের ২২ জুলাইয়ের একটি প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, আমেরিকার রাষ্ট্রদূতের মায়ানমার সফরের মাধ্যমে তাদের কার্যকর শাসক অং সান সুকি এবং সেনাপ্রধান মিন অং লেংয়ে- কে এমন বার্তা দেওয়া হয়েছে যে, উত্তর কোরিয়ার সাথে সামরিক বা অন্য যেকোনো রকমের সম্পর্ক স্থাপন তাদের বিধ্বংসী সব নীতিমালার পক্ষে যেতে পারে।

আগে উত্তর কোরিয়ার প্রতিনিধিরা মায়ানমারে কাজ করেছেন বলে জানা যায়। এছাড়া দুই দেশের মাঝে অস্ত্র লেনদেনও ঘটেছে—মূলত মায়ানমার নর্থ কোরিয়া থেকে অস্ত্র আমদানি করেছিল। কিন্তু মায়ানমার সরকার ২০১১ সালের পর থেকে এরূপ কোনো সম্ভাবনাকে সম্পূর্ণ অস্বীকার করছে।

কমেন্ট করুন

মন্তব্য