page contents
লাইফস্টাইল, সংস্কৃতি ও বিশ্ব

এবং আহসান হাবীব (১)

‘মেঘনা পাড়ের ছেলে/ আমি মেঘনা নদীর নেয়ে।/ মেঘনা নদীর ঢেউয়ের বুকে/ তালের নৌকা বেয়ে/ আমি বেড়াই হেসে খেলে’—এই কবিতার মেঘনা বাদ দিয়ে ‘ব্রহ্মপুত্র’ বসিয়ে দিলেই আমার কৈশোর খুঁজে পাই। আবার ‘গানের সুরে গুন গুনিয়ে চৈতি হাওয়া এলো/ চাঁপার বনে চপল হাওয়া বইছে এলোমেলো’ পড়লেও নিজের শৈশবে ফিরে যাই।

ক্লাশে পাঠ্য কবিতা পড়তে পড়তে এ ভাবেই আহসান হাবীব মনের ভেতর গেঁথে গেছেন, ছোটবেলা থেকেই। তখনই কবিদেরকে আমার কাছে অন্য রকম জাদুকর মনে হত। ভাবতাম, কীভাবে ছন্দ-মাত্রা-মিল দিয়ে অদ্ভুত স্বপ্নঘোর তৈরি করে তারা অলৌকিক কাব্য রচনা করেন, ভেবে বিস্মিত হতাম। সেই বিস্ময়কর ‘কবি’দের সাথে দেখা হবে, কথা হবে, খাতির হবে, বন্ধুত্ব হবে, স্বজন হবে তা ছিল ভাবনার অতীত!

ঢাকায় তখন লেখালেখির জন্য হাতে গোনা মাত্র দু’তিনটি পত্রিকা—দৈনিক বাংলা, ইত্তেফাক, সংবাদ আর সাপ্তাহিক বিচিত্রা এবং সচিত্র সন্ধানী। এই পত্রিকার অফিস ছিল আমাদের দ্বিতীয় ঘরবাড়ি। দৈনিক বাংলার সাহিত্য সম্পাদক ছিলেন আহসান হাবীব, ইত্তেফাকে আল মুজাহিদী, সংবাদে আবুল হাসানাত ওরফে মাহমুদ আল জামান। সাপ্তাহিক বিচিত্রা এবং সচিত্র সন্ধানী সম্পাদক যথাক্রমে শামসুর রাহমান এবং বেলাল চৌধুরী নিজেরাই কবিতার পাতা দেখতেন।

আমরা যে শুধু লেখা প্রকাশের জন্য গেছি, তা কিন্তু নয়। অন্তত সপ্তাহে একবার এক চক্কর ঢু দিতাম তাদের দপ্তরে। আর মাঝে মাঝে আড্ডা। প্রায় সময়ই তাদের টেবিল মৌচাকের মত লোকজন ঘেরা থাকত। ব্যতিক্রম ছিল হাসনাত ভাইয়ের টেবিল। কারণ, তিনি নিজেই ব্যতিক্রমধর্মী মানুষ। চুপচাপ থাকা কম কথা বলার মানুষ। তিনি এতই কম কথা বলতেন যে, কথার প্রেক্ষিতে প্রয়োজনেও তিনি কখনোই পুরো বাক্য বলতেন না। যেমন “জ্বি, আচ্ছা”, “হুম”, “ওকে”, “ঠিকাছে” এর বাইরে বেশি কথা বলতে অন্তত আমি দেখি নি!

“জ্বি, আচ্ছা”, “হুম”, “ওকে”, “ঠিকাছে” ধরনের স্বভাবের লেখক আরো একজনের কথা মনে পড়ল, তিনি ছিলেন কবি সাইয়ীদ আতিকুল্লাহ।

ব্রহ্মপুত্রের কাঁদাজল গায়ে মেখে সদ্য রাজধানীতে এসেছি। নিজের এলাকার মানুষদের সাথে দেখা করার চেষ্টা করি। কী করব, কী করা যায়, কী করতে পারি এই সব পরামর্শের জন্য। তাদের মধ্যে প্রথম দেখা করি দৈনিক ইত্তেফাকের সহকারী সম্পাদক (সাবেক মন্ত্রী) খন্দকার আবদুল হামিদের সাথে। আমার নানা মাওলানা ইউসুফ মিঞা। শেরপুর সিংজানী হাই স্কুলের হেড মাস্টার ছিলেন, তিনি ছিলেন নানার ছাত্র। এই সব যোগসূত্র নিয়ে তার কাছে যাই।

ইত্তেকাফ ভবনের দোতলায় খোপ-খোপ ঘরে বসেন রাহাত খান, মীর হাবিবুর রহমান, রোকনুজ্জামান খান, আবেদ খান, গোলাম সারোয়ার এঁরা।

খন্দকার হামিদ কোনো এক খ্যাতিমানের সাথে (তখন আমার কাছে অচেনা। পরে মনে হয়েছে তিনিই সৈয়দ আবদুল সুলতান) ‘গুরুত্বপূর্ণ’ কথা বলছেন। দু’বার দরজা ঠেলে উঁকি দিয়ে ফেরত আসি। দরজা কচ কচ শব্দ করে। তা দেখে তিনি ডাকলেন। আমি বিনয়ের সাথে ঢুকলাম। টেবিলের পাশে দড়ি আর দু’টি লম্বা কাঠ দিয়ে আটকানো সেদিনের সব দৈনিকগুলো। পাশে নিউজ প্রিন্টের প্যাড। তারা চা-বিস্কিট খাচ্ছেন। তখন হঠাৎ জিভ নয়; পেটটা নড়েচড়ে উঠল। লোভে নয়; ক্ষুধায়। চা-বিস্কুট থেকে চোখ ফিরিয়ে নিয়ে পরিচয় দিলাম। যদিও তখন পরিচয় দেয়ার মত নেই। খালি বললাম, আমি শেরপুরের ছেলে। তখন ভেবেছিলাম, তিনি হয়ত অন্তত ইত্তেফাকে আমার কবিতা ছাপার ব্যবস্থা করে দিবেন। ক্ষেতমার্কা চেহারায় কবিতার খাতা নিয়ে গেয়েছিলাম। তিনি তা না দেখেই খুব হতাশ করে দিলেন।

বললাম, আমি মাওলানা ইউসুফ মিঞার নাতি!

—স্যার কেমন আছে? তা তোমার এই মফস্বলমার্কা চেহারা কেন?

আবার বললাম, আমি ইত্তেফাকের মফস্বল সংবাদদাতা।

—ওঃ আচ্ছা। আমি তো মফস্বলের পাতা দেখি না। চার তলায় যাও। বলেই হো হো করে হেসে উঠলেন তারা। খুব মজা পেলেন। আমি পেলাম লজ্জা। কারণ, তখনও স্মার্টলি কথার জবাব দিতে শিখি নি। জানতাম না, মফস্বলমার্কা চেহারা আর মফস্বল সংবাদদাতার পার্থক্যটা কতদূর?

আমরা এক এলাকার মানুষ, তিনি নানার ছাত্র, আমিও ইত্তেফাকের মফস্বল সংবাদদাতা মনে মনে হয়ত এই সব দাবি। আবারো বললাম, আমি কবিতা লিখি।

—নজরুল হতে চাও? ভাল। যাও আল মুজাহিদীর কাছে যাও।

আমি তাড়িয়ে দেয়া ভিক্ষুকের মত ফিরে আসি। প্রত্যাবর্তনের লজ্জাটাও বুঝতে পারি না! তখন পেছন থেকে ডেকে একটা ভাল পরামর্শ দিলেন, শোনো, এই সব কবিতা-টবিতা আর মফস্বল সংবাদদাতাগিরি করে লাভ নেই। গ্রামে ফিরে যাও, গিয়ে হাল চাষ করো।

লেখকের পুরানো দিনের ছবি।

তার এই কথা শুনে পরে আর লন্ডনের বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রদূত সৈয়দ আব্দুল সুলতান এবং সংবাদের বজলুর রহমানের সাথে দেখাই করি নি। তবে হতাশ হই নি। কেউ কেউ তো দয়া করেছেন। যেমন হারুন হাবীব। সে কথা আরেক দিন বলা যাবে।

তখন দুপুর গড়িয়ে বিকেল। কবিতার খাতা নিয়ে ১ রাম কৃষ্ণ মিশন রোড থেকে মতিঝিল হয়ে ১ ডিআইটি রোডস্থ দৈনিক বাংলার দিকে হাঁটতে থাকি। ৬ নং বাস এই পথে যায়। কিন্তু পকেটে পয়সা নেই। হাঁটতে হাঁটতে শাপলা চত্বরের মোড়ে এসে পথ হারিয়ে ফেলি। ভুলে চলে যাই ডান দিকে কমলাপুর, মতিঝিল কলোনির দিকে। সব এলোমেলো মনে হয়! এদিকে কোথাও দৈনিক বাংলার মোড় খুঁজে পাই না। দেখতে পাই না ডিআইটি’র ঘড়ি। চারিদিকে তাকাই, মিল খুঁজে পাই না আশেপাশের বিল্ডিংয়ের সাথে। পেটে খুব ক্ষুধা। মাত্র কয়েকটা টাকা আছে। হিসাব করে খাই, হিসেব করে চলি। এই ক’টা টাকা শেষ হলে কী করব জানি না। মাস ফুরালে যে পরের মাসে টাকা পাব, সেই সোর্সও নেই। চাকরি-বাকরি নেই। একেবারে অনিশ্চিত বেকার জীবন। তাই দিশেহারা হয়ে পথ হারিয়ে ফেলি। আমার হারানো পথ অন্ধকারে মিশে যায়।

ফুটপাত ঘেষা ড্রেনের উপরে একটা পানের দোকান। সেখানে সামনের বেঞ্চে গিয়ে বসি। মুখের সামনে মুলার মতো কলা ঝুলছে। আর দেখি, ভেতরে কাচের বৈয়মে গোল গোল পাউরুটি। দোকানটির দরজার সাথেই একটা চুল্লি। তাতে বৃটিশ আমলের একটা কালো এবং টেপ খাওয়া চায়ের কালো কেতলি জ্বলছে, পাকিস্তান আমলের কয়েকটা পুরনো চায়ের কাপ এবং চাপাতি। তার পাশে টিনের জং ধরা ট্রে। কৌটা ছিদ্রি করা দুধ। পাউরুটি-কলা-চা, আহারে। লোভ নয়; ক্ষুধায় খুব খেতে ইচ্ছে করছে। খন্দকার হামিদের টেবিলের কথা আবারো মনে পড়ে।

কোথায় থেকে যেন মলিন মানিব্যাগ কুড়িয়ে পেয়েছিলাম, মনে নেই! সেই ছেঁড়া, পায়ের গোড়ালির মত ফাঁটা ফাঁটা চামড়া জলসানো মানিব্যাগ খুলে আবার টাকা ক’টা দেখি আর ভাবি কী করব? থাক। একদিন দুপুরে না খেলে চলবে। এক বেলার খরচ বাঁচিয়ে দিলাম। রাতে খাব।

এভাবে অনেক দুপুর গেছে, রাত কেটেছে না খেয়ে-খেয়ে! ঘুমালেও ক্ষুধা টের পাওয়া যায়, অস্থির করে জাগিয়ে তুলে। আমি জানি, ক্ষুধার কী জ্বালা, কী যন্ত্রণা! যখন ক্ষুধা আর সহ্য করতে পারতাম না, তখন বাঁচার জন্য পরী ভানুদের সস্তা হোটেলে শুধু ডাল-ভাত খেতাম। সেই নিরন্নের কালের অনাহারী দিনগুলো আমাকে অসুস্থ করে হাসপাতালে পাঠিয়েছিল। তবু রাগে-জেদে বাবার কাছে কিংবা কখনোই কোন আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু বান্ধবের কাছে যাই নি। ধার-কর্জ করি নি। না খেয়ে থেকেছি। যুদ্ধ করেছি ক্ষুধার সাথে, যুদ্ধ করেছি নিজের সাথে।

“আশির দশকের কুমিল্লার অলক্ত সাহিত্য পুরস্কারের অনুষ্ঠানের ছবি। অধ্যক্ষ তিতাস চৌধুরীর রাণীর দীঘির পাড়ের বাসভবনের ছাদে তোলা। এ সাহিত্যবৃত্ত থেকে অধিকাংশই হারিয়ে গেছেন। এ ছবি নিয়ে আমি পরে লিখব।”—লেখক

একটা পাউরুটি, একটা কলা, এক কাপ চা’য়ের দাম কত? হিসেব মিলাতে পারি না। মানিব্যাগটা পকেটে রেখে দেই। দোকানদার তো ব্যস্ত এই ফাঁকে একটা কলা ছিড়ে লুকিয়ে ফেলতে পারি। এক রকম একটি ভাবনায় নিজের উপর প্রচণ্ড ঘৃণা হয়। তখন ঘৃণা আর অপমানে একটি কথা মাথার ভেতর ঘুরপাক খায়—গ্রামে ফিরে যাও। গ্রামে ফিরে যাও। হাল চাষ করো। গ্রামে ফিরে যাও…।

দোকানদারকে বললাম, দৈনিক বাংলা যাব কেমনে? তিনি আমাকে আরাম করে যাবার জন্য আরামবাগের গলির ভেতর শর্টকাট সোজা পথ বলে দিলেন। আমি সেই গলিতে ঢুকে চোরাগলির বাঁকে বাঁকে আবারো পথ হারিয়ে ফেলি। এ তো আরামবাগের গলি না; যেন অদ্ভুত ভূতের গলি। অলিগলির প্যাঁচ আর ছাড়াতে পারি না। ইতোমধ্যে বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যা ঘনিয়ে এসেছে। এক সময় সন্ধ্যার ভেতর মিশে যাই, হারিয়ে যাই রাতের ভেতর।

সেদিন আর দৈনিক বাংলায় যাওয়া হয় নি। পরদিন, হয়ত বা তার পরদিন গেলাম কবি আহসান হাবীবের কাছে। তিনি এবং ফুরফুরে পরির মতো মাফরুফা চৌধুরী চারতলা একটি রুমে মুখোমুখি বসেন। মাফরুফা আপা নেই। হাবীব ভাই একা। অনুমতি নিয়ে ঢুকতেই কালামকে ডেকে চা অফার করলেন। তিনি সিগারেট টানছেন, সেই সাথে চা।

আহসান হাবীব (১৯১৭-১৯৮৫)

আমি তো ভাবছি সেই মেঘনা পাড়ের ছেলে আর চৈতি হাওয়ার কথা। এ তো এক জাদুকর! আমি যেন জাদুঘরে ঢুকেছি। মুগ্ধ হয়ে দেখছি—সৌম্য, শান্ত, স্নিগ্ধ, প্রাজ্ঞ এক কবিকে। মাথাভর্তি ধবধবে সাদা চুল। কয়েকটি স্খলিত চুল কপালের দিকে ঝুলে আছে। হাতে ক্যাপস্টিন সেগারেট। চা আর সিগারেটের ধোঁয়া মিলেমিশে দ্রবীভূত হয়ে যাচ্ছে। টেবিলে তিল পরিমাণ ঠাঁই নেই। চিঠিপত্র, লেখকদের লেখা, সাময়িকীর ফাইল, সৈয়দ লুৎফুল হকের আঁকা ট্রেসিং পেপারে ডিজাইন, আগামী সংখ্যার গল্প-কবিতার প্রুফ এবং বইপত্রে ঠাসা। পাশের দুই তাকেও অজস্র বই। তার মাঝে ডুবে ডুবে ভেসে আছেন মেঘনা পাড়ের আহসান হাবীব! কী নরম সুরে জানতে চাইলেন আমার খবরাখবর। সেই স্বজনহীন শহরে তাকে স্বজন মনে হল, আপন মনে হল শামসুর রাহমানকেও! যেন এই নিষ্ঠুর শহরে খরার তীব্র রোদে মাথার উপর গাছের শীতল ছায়া।

কিছুতেই মেলাতে পারলাম না, খন্দকার হামিদের সাথে! একজন তাড়িয়ে দিলেন, আরেকজন হাত বাড়িয়ে নিবিড় ভাবে কাছে টেনে নিলেন। ক’দিন আগে কবি শামসুর রাহমানও স্নেহের সাথে আপন করে নিয়েছিলেন। এই তো কবি! এভাবেই শুরু হল কবিদের সাথে আমার পথ চলা।

সেদিন কবিতা নিয়ে যাই নি। কথিত আছে যে, দৈনিক বাংলার সাহিত্য সম্পাদক একবার দৈনিক বাংলার সম্পাদকের কবিতা ফেরত দিয়েছেন! সত্যমিথ্যা জানি না। তবে তিনি ক্ষমতাসীন অবস্থায় হোসাইন মুহম্মদ এরশাদের কবিতা ফেরত দিয়েছেন। বলেছেন, “এটা তো প্রেস রিলিজ। আমি তো প্রেস রিলিজ ছাপি না।’ কারণ, এরশাদ একই কবিতা প্রেস রিলিজের মত সব দৈনিকে পাঠাতেন এবং তা দৈনিকগুলো বক্স করে প্রথম অথবা শেষ পাতায় ছাপত।

এই প্রত্যাখ্যান করার ক্ষমতা শুধু আহসান হাবীবেরই ছিল। একবার দুঃখ করে বলেছেন, আমি অনেকের কবিতা ছাপতে পারি না। যেমন, মুস্তফা আনোয়ার, শিহাব সরকার, রবীন্দ্র গোপ প্রমুখ। সেজন্য হাবীব ভাইয়ের নিজেরই বেদনা ছিল।

(কিস্তি ২)

About Author

সাইফুল্লাহ মাহমুদ দুলাল
সাইফুল্লাহ মাহমুদ দুলাল

সাইফুল্লাহ মাহমুদ দুলাল সাংবাদিকতা এবং কবিতা চর্চার পাশাপাশি গদ্যরচনা করেন। থাকেন দেশের বাইরে। প্রকাশিত গ্রন্থের সংখ্যা অর্ধশতাধিক। উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ- তৃষ্ণার্থ জলপরী, শহরের শেষ বাড়ি, শিল্প সাহিত্যে শেখ মুজিব, কানাডায় যাবেন কেনো যাবেন, তোমার বাড়ি কত দূর, দ্রবীভূত গদ্যপদ্য, কাছের মানুষ দূরের মানুষ, যুদ্ধশিশুর জীবন যুদ্ধ, কানাডার হাড়ির খবর নাড়ির খবর, কয়রা গ্রামে বুনো হাতি ইত্যাদি। বেশ কিছু নাটক এবং গান লিখেছেন। পেয়েছেন বেশ ক’টি পুরষ্কার। বিভিন্ন ভাষায় তার কবিতা অনুবাদ হয়েছে। এক সময় বিটিভিতে শিল্প-সাহিত্য বিষয়ক অনুষ্ঠান ‘দৃষ্টি ও সৃষ্টি’ উপস্থাপনা করতেন। এখন ‘কানাডায় ১৯৭১’ নিয়ে গবেষণা করছেন।