আমেরিকার আগামী প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে গাঁজা বেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকাই পালন করবে বলে মনে হচ্ছে।

ব্যাপারটা মোটেও গাঁজাখুরি নয়। আমেরিকার আগামী প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে গাঁজা বেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকাই পালন করবে বলে মনে হচ্ছে।

গাঁজা বা মারিজুয়ানা সেবনকে বৈধতা দেওয়া না দেওয়া যুক্তরাষ্ট্রে ভোটের বড় ইস্যু হয়ে উঠছে। দু একটি রাজ্যে ভোটাভুটি তো হলোই। এবার ডেমোক্র্যাট দলের সম্ভাব্য প্রার্থী হিলারি ক্লিনটন ঘোষণা দিলেন, মারিজুয়ানাকে তিনি নতুন করে শ্রেণিবদ্ধ করতে চান, যাতে এটি আগের চেয়ে কম বিপদজনক মাদকের কাতারভুক্ত হয়। এতে করে এই মাদকটির রোগ নিদানের গুণাবলী নিয়ে আরো গবেষণা করা সম্ভব হবে।

আমেরিকার ফেডারেল আইনে গাঁজা নিষিদ্ধ। কেননা এটা ‘এক নম্বর তফসিলভূক্ত’ মাদকদ্রব্যের তালিকায় পড়েছে। তার মানে এটাকে সবচেয়ে বিপদজনক পাঁচটি দ্রব্যের একটি হিসেবে চিহ্নিত করা আছে নিয়ন্ত্রিত দ্রব্য আইনে (কন্ট্রোলড সাবসট্যান্স অ্যাক্ট)। এই তালিকার অন্য ড্রাগগুলো হলে হেরোইন, ইকসট্যাসি, এলএসডি।

হিলারি এখন গাঁজাকে এক নম্বর তফসিল থেকে দুই নম্বর তফসিলে নামিয়ে আনতে চান। এটি কম বিপদজনক মাদকের তালিকা। এই তালিকায় আছে কোকেইন, অক্সিকনটিন, অ্যাডেরাল ইত্যাদি।

সাউথ ক্যারোলাইনায় এক ভাষণে হিলারি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের অনেক অঙ্গরাজ্যেই চিকিৎসা কাজে গাঁজা ব্যবহার আইনসিদ্ধ। এক দেশে দুরকম নিয়ম চলা উচিৎ নয়। তাই তিনি চিকিৎসা উপকরণ হিসেবে গাঁজাকে ব্যবহার করতে দিতে চান।

হিলারি বলছেন, এর ফলে দেশজুড়ে এমন গাঁজার ডিসপেনসারি চালু করা সম্ভব হবে, যেখান থেকে লোকে চাইলেই চিকিৎসার উদ্দেশ্যে গাঁজা কিনতে পারবে।

এর আগে গত মাসে নিজ দলের প্রেসিডেন্ট প্রার্থীদের বিতর্কে হিলারি বলেছেন, ‘লোকজনকে গাঁজা সেবনের কারণে জেলে ঢোকানো আমাদের বন্ধ করতে হবে।’

কমেন্ট করুন

মন্তব্য