page contents
লাইফস্টাইল, সংস্কৃতি ও বিশ্ব

ঘাড়ে একটা ভূত

টাঙ্গাইল তখন ঘুম-ঘুম এক মফস্বল মহকুমা শহর, আর এই শহরের নির্জন উত্তর প্রান্তে আমাদের আকুরটাকুর জলা-জঙ্গলে নিঝঝুম এক পাড়া। সেখানে দুপুরে খা-খা রোদ্দুরে হঠাৎ ঘুরে-ঘুরে ওড়ে বাউকুড়ানি, সন্ধ্যা হতেই শ্যাওড়া-ডুমুর-বইন্না বনে শুরু হয় কাদের ফিস-ফাস, বাঁশবনে ঠাস-ঠাস করে কাদের অট্টহাস, বট-পাকুড়ের অন্ধকার থেকে বেরিয়ে এসে কারা ঘুরে বেড়ায় উলটো পায়ে, হঠাৎ এক খণ্ড সাদা কাপড় উড়ে যায় শূন্য মাঠ, পোড়ো বাড়ির উপর দিয়ে!

ওই ওনাদেরই একটা ঘাড়ে চেপে বসায় আমার লেখালেখি শুরু সেই বাল্যকালে, তখনকার স্মৃতি অবশ্য অনেকখানি ঝাপসা হয়ে এসেছে এত দিনে। তাই প্রথম কী লিখে, কোন লেখা দিয়ে শুরু হয়েছিল আমার ভূতগ্রস্ততা তা ঠিকঠাক বলা এখন সত্যিই মুশকিল। পাঠ্যবইয়ের পদ্য আর মা-দাদি’র মুখে নানা রকম ছড়া-বচন শুনে আমারও অভ্যাস হয়েছিল ‘মাছ’-এর সঙ্গে ‘গাছ’ বা ‘মাঠ’-এর সঙ্গে ‘কাঠ’ মিলিয়ে দু’-চার পঙ্‌ক্তির পদ্য আউড়াবার। খেলার সাথি, সহপাঠী, বন্ধু-স্বজন—সবার নাম বা কোনও কাজ নিয়ে তাৎক্ষণিক ভাবে মুখে-মুখে ছড়া বা পদ্য বানাবার সেই ঝোঁক এখনও যায় নি একেবারে। তবে এ সব নিয়ে যে কত মজা, কত মনকষাকষি হয়েছে সেই সময়!

sazzad-kadir-logo

স্কুলে যাওয়ার পথে আমার সঙ্গে যোগ দিতো মাখন, অর্চন, বিজন, মন্টু। অর্চনের ভাই বিজন পড়তো এক ক্লাশ উপরে, আর রফিকুল ইসলাম মন্টু পড়তো এক ক্লাশ নিচে। এই মন্টুরই বেশি উৎসাহ ছিল আমার পদ্যচর্চার প্রতি। ও সব সময় বলতো, কেবল মুখে-মুখে বলে কী লাভ? একটু পরেই তো মনে থাকবে না। লিখে রাখতে হবে এগুলো।

পরে ছোট একটি নোট খাতা তৈরি করে দেয় ও। আর তাতে ১৯৫৭ সালের এক দিনে, ক্লাশ ফোর-এর এক পদ্যকার লেখে তার প্রথম মৌলিক রচনা—‘পলাশ ও শিমুল / দু’টোতেই হয় ফুল / তবে দু’জনের কেন এত ঝগড়া হয়? / শিমুল বারেবারে কয়…’।

এ রচনার প্রেরণা ছিল নিয়োগী লজের সামনে ময়মনসিংহ রোডের দু’পাশের দু’টি গাছ; একটি পলাশ, অন্যটি শিমুল। এ ভাবে চারপাশের প্রকৃতি ও জীবন নিয়ে লেখা পদ্যে ভরে যায় খাতা। খাতার পর খাতা। কারণ উৎসাহের অন্ত ছিল না মন্টুর, প্রতি সপ্তাহে দু’-তিনটি নোট খাতা উপহার দিয়ে লিখে-লিখে তা ভরিয়ে ফেলার চাপ দিয়ে গেছে ও।

আমার এই পদ্য-প্রতিভার খবর জানাজানি হতে দেরি হয় নি খুব। স্কুল ও পাড়ার বন্ধু ও খেলার সাথিদের কাছে ব্যাপারটা মজার হলেও তা উদ্বেগের কারণ হয় অভিভাবক ও শিক্ষকদের কাছে। কারণ স্কুলের লেখাপড়া—যা আসল কাজ—ক্ষতি হবে তার। সে আশঙ্কা অমূলক ছিল না একেবারে। পদ্যের নেশা টেনে আনে ‘আউট বুক’ পড়ার নেশা। ‘আউট বুক’ মানে পাঠ্যবহির্ভূত বই-পুস্তক সেকালে এক কথায় বলা হতো ‘নাটক-নভেল’। পরে ঠিকই মাঝারি মেধার ছাত্রে পরিণত হই আমি। শুরুর প্রতিশ্রুতি আর পূরণ করতে পারি না শেষে। তবে এর মধ্যে ঘটতে থাকে নানা রকম নাটকীয় ঘটনা।

s-shahid

এস শহীদ

আমার পদ্য যে সকলের ভাল লাগতো তা নয়। এখন যেমন তখনও অনেকে তেমন নানা রকম নিন্দা-মন্দ করতো এ সব রচনার। তাদের কয়েকজন, ক্লাশ ফাইভ-এ পড়ার সময়, আমার স্কুল-ব্যাগে লুকানো নোট বই গোপনে হাতিয়ে নেয়, তারপর জমা দেয় ক্লাশ টিচার এস শহীদ স্যারের কাছে। ভেবেছিল, পদ্যচর্চার কারণে যথেষ্ট হেনস্তা হতে হবে আমাকে। তা কিছুটা হতে হয় বৈ কি! স্যার সম্পর্কে আমার নানা, সেই জোর খাটিয়ে কান মলে দেন হাসতে-হাসতে। বলেন, “আমিও পদ্য লিখি, আমার নাতিও তো লিখবে!” তারপর পকেটে পুরে ফেলেন নোটটা। ক’দিন পরে নোট বই ফেরত দিয়ে বলেন, পড়লাম তোমার পদ্য। একটা রাখলাম।

shahid-4সেদিন স্যর যে পদ্যটি রাখলেন সেটা নজরুলের ‘চল চল চল’ অনুকরণে লেখা। তিনি ওই পদ্যটিকেই সুর দিয়ে ব্যবহার করেন স্কুলের বয় স্কাউটদের কুচকাওয়াজ সংগীতে। সেই কুচকাওয়াজে তখন নেতা ছিলেন আনোয়ার উল আলম শহীদ। স্যার এর আগে নিজে লিখে সুর দিয়েছিলেন আমাদের বিন্দুবাসিনী স্কুলের সংগীত ‘বিন্দুবাসিনী বিদ্যাদায়িনী…’।

ক্লাশ ফাইভ-এর এক পদ্যকারের আর কী বাকি থাকে মাথা খারাপ হওয়ার! তা ছিলও না।

তবে শেষ নয় এখানেই। ক্লাশ সেভেন-এ পড়ার সময় আর এক ঘটনা।

আল মুজাহিদী

আল মুজাহিদী

উঁচু ক্লাশের ছাত্র আল মুজাহিদী (খোকা ভাই)। মেধাবী, সুদর্শন, সুবক্তা, কবি, আবৃত্তিকার। লেখেন নজরুলের ‘বিদ্রোহী’ কবিতার মতো দীর্ঘ ও তেজি কবিতা। সেগুলি উচ্চকণ্ঠে আবৃত্তি করে সর্বত্র নন্দিত বন্দিত তিনি। এছাড়া প্রকাশ করেন বিশাল এক বোর্ডে সাঁটা হাতে লেখা পত্রিকা ‘বাতায়ন’। শহরের ও আশপাশের সব স্কুল-কলেজে একে-একে টাঙানো হয় সেটা। সেই তিনি বললেন, কবিতা দাও।

ভয় পেয়ে যাই খুব। স্কুলে আসা-যাওয়ার পথে এড়িয়ে চলি তাঁকে। কিন্তু তিনি ধরে ফেলেন কীভাবে। শেষে বাধ্য হই তাঁকে একটি ‘আধুনিক গদ্য কবিতা’ দিতে। সেটা খুব যত্ন করে তিনি প্রকাশ করেন পত্রিকার উপরিভাগে।

এভাবেই ক্লাশ সেভেনেই আমি পাড়া ছাড়িয়ে, ক্লাশ ছাড়িয়ে শহরের একজন প্রতিষ্ঠিত কবি। সেটা ১৯৫৮ সাল। বয়স আমার ১১।

তারাপদ রায়

তারাপদ রায়

এরপর ১৯৫৯ সালে, তখন আমি ক্লাশ এইটে, পুজোর ছুটিতে কলকাতা থেকে টাঙ্গাইলে বাড়িতে মা-বাবা-ভাইয়ের কাছে বেড়াতে আসা খোকন দা (কবি তারাপদ রায়)-র সঙ্গে পরিচয়। আমার পড়া ও লেখার নেশা দেখে একদিন তিনি বলেন, ইংরেজিটা ভাল করে শেখো। এ ভাষাটা না জানলে বিশ্ব-পৃথিবীর অনেক কিছুর খবর পাবে না ঠিকমতো। উন্নত সাহিত্য ও সাংবাদিকতার স্বাদ পাবে না, নতুন-নতুন চিন্তাধারা ও বিজ্ঞান-প্রযুক্তির খোঁজ জানবে না।

এরপর থেকে শুরু হয় আমার ইংরেজি বই পড়ার চেষ্টা। সে বড় কঠিন ও দুঃসাধ্য কাজ। বন্দে আলী মিয়া (১৯০৬-১৯৭৯)-র উপন্যাস ‘তাসের ঘর’ পড়ে ফেলি এক বেলায়, কিন্তু আরস্কিন কল্ডওয়েল (১৯০৩-১৯৮৭)-এর ‘টোবাকো রোড’-এর পাঁচ পৃষ্ঠাও ওলটাতে পারি না সারা দিনে। খোকন দা বললেন, ডিটেকটিভ বই পড়ো। তাড়িয়ে-তাড়িয়ে পড়তে পারবে। তারপর অভ্যাস হয়ে যাবে ইংরেজি পড়াটা।

এই বলে পড়তে দেন আগাথা ক্রিসটি (১৮৯০-১৯৭৬)-র চারটি গোয়েন্দাগ্রন্থ। নিজেও যোগাড় করি আরলি স্ট্যানলি গার্ডনার (১৮৮৯-১৯৭০)-এর এক গাদা বই। এতে কাজ হয় অনেকটা, তবে সবটা নয়। শেষে ওই পড়তে-পড়তেই মাথায় বুদ্ধি আসে—অনুবাদ করলে কেমন হয়! ইংরেজি শেখার চর্চাটাও হবে, সেই সঙ্গে আবার লেখালেখিও চলবে। যেমন ভাবা তেমন কাজ। শুরু করি সহজ ভাষায় লেখা শিশুতোষ গল্প অনুবাদ। হাতের কাছে পেয়ে যাই ন্যাথানিয়েল হথর্ন (১৮০৪-১৮৬৪)-এর ‘এ ওয়ান্ডার-বুক ফর গার্লস অ্যান্ড বয়স্’। এ বইটি থেকেই প্রথম অনুবাদ করি হারকিউলিস-এর একটি গল্প। প্রথমে গলদঘর্ম অবস্থা, পরে সয়ে আসে ক্রমে। তারপর বিভিন্ন রূপকথা-উপকথার সঙ্কলন থেকে এক-এক করে আরও অনেক গল্প—তা ২০-২১টি হবে—অনুবাদ করে ফেলি এক-দু’ বছরেই।

সাহস করে কয়েকটি গল্প পাঠাই ঢাকার পত্রপত্রিকায়। সেগুলো ছাপা হয় সাপ্তাহিক জনতা, পাকিস্তানী খবর, পাক জমহুরিয়াত, দৈনিক আজাদের মুকুলের মহফিলে। ঘাড়ের ভূত তখন চেপে বসে একেবারে। তারপর ১৯৬২ সালে কলেজে ভর্তি হওয়ার পর সওগাত, মোহাম্মদী, চিত্রালী ও অন্যান্য জাতীয় পত্রপত্রিকায় মৌলিক কবিতা-গল্প ছাপা হতে থাকায় আর উৎসাহ পাই নি অনুবাদে। তবে পুরনো খাতা থেকে ঘষে-মেজে কয়েকটি গল্প পাঠিয়েছিলাম বিভিন্ন পত্রপত্রিকায়। সেগুলোর একটি ছাপা হয়েছিল স্থানীয় পাক্ষিক হিতকরীতে। প্রথম অনুবাদ করা গল্পটি অবশ্য বহু বছর পর, ১৯৭৭ কি ’৭৮ সালে, ছাপা হয়েছিল ‘কিশোর বাংলা’য়।
——————————————–

  • রফিকুল ইসলাম মন্টু। নিবাস টাঙ্গাইলের আকুরটাকুর পাড়ায়। বর্তমানে অবসরপ্রাপ্ত ব্যাংকার। রাজনীতিবিদ শাজাহান সিরাজের ভাগ্নে।
  • এস শহীদ। পুরো নাম সৈয়দ শহীদ উদ্দিন আহমেদ। জন্ম ১৯২৩ সালে, টাঙ্গাইলের উপকণ্ঠে মীরের বেতকা গ্রামে (একই গ্রামে মাতুলালয়ে আমার জন্ম)। চল্লিশের দশকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে এম এ। প্রথম জীবনে শিক্ষকতা করেছেন টাঙ্গাইলের বিন্দুবাসিনী হাই স্কুলে, পরে প্রশিক্ষক ছিলেন ঢাকার লোকপ্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে। এ বিষয়ে নিজেও প্রশিক্ষণ নিয়েছেন লেবাননের বৈরুত আমেরিকান ইউনিভারসিটিতে। ১৯৫০ সালে সম্পাদনা করেছেন সাপ্তাহিক টাঙ্গাইল হিতৈষী’র। ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত তাঁর ‘পাকিস্তানী কাব্যরেখা’ বৃটিশ রাজ নিষিদ্ধ করে। প্রকাশিত গ্রন্থ: Mad Thoughts (ইউএসএ থেকে প্রকাশিত এবং সে দেশের প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন কর্তৃক প্রশংসিত); The World Still Living; Verses on Islam; জসীমউদদীন: কবি ও কাব্য; নিঝুম রাতের কবিতা; ইসলাম রশ্মি; ইসলাম ও সমাজদর্শন; মুসলিম সঙ্গীতকলার বিকাশ। বাংলাদেশ টেলিভিশনে তাঁর নাটক ও গান প্রচার হয়েছে। মৃত্যু ঢাকায়, ২০০৬ সালে।
  • আল মুজাহিদী। জন্ম ১৯৪৩ সালে টাঙ্গাইলে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৬৬ সালে সমাজবিজ্ঞান ও ১৯৬৭ সালে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে স্নাতকোত্তর। কবি, রাজনীতিবিদ, সাংবাদিক। কিশোর বয়সে ‘হে সিপাহসালার’ নামে দীর্ঘ কবিতা লিখে ও ছেপে ময়মনসিংহে পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আয়ুব খানের জনসভায় বিলি করে সাড়া জাগিয়েছিলেন। পরে পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র লীগের রাজনীতিতে সক্রিয় হন এবং শীর্ষ পর্যায়ে নেতৃত্ব দেন। ‘ছাত্র লীগ সংগীত’ তাঁরই রচনা। পরে ‘বাঙ্লা ছাত্র লীগ’ প্রতিষ্ঠা করেন। স্বাধীনতার পর সাহিত্যচর্চায় নিবেদিত হন, রাজনীতিতে আর জড়িত হন নি সেভাবে। দীর্ঘকাল দৈনিক ইত্তেফাক-এর সাহিত্য সাময়িকী সম্পাদনা করেছেন, বর্তমানে ‘নতুন এক মাত্রা’ সাহিত্যপত্রের সম্পাদক।
  • তারাপদ রায়। জন্ম ১৯৩৬ সালে টাঙ্গাইলের অদূরে এলাসিন গ্রামে। কবি, কথাসাহিত্যিক। ১৯৫১ সালে বিন্দুবাসিনী হাই স্কুল থেকে ম্যাটরিক পাশ করে কলকাতা চলে যান। সেনট্রাল ক্যালকাটা কলেজ (বর্তমানে মওলানা আজাদ কলেজ) থেকে অর্থনীতিতে স্নাতকোত্তর। কিছুদিন শিক্ষকতা করেছেন হাবড়া’য়, পরে সরকারি চাকরিতে যোগ দিয়ে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের তথ্যসচিব হিসেবে অবসর নেন। মৃত্যু ২০০৭ সালে কলকাতায়।
  • আনোয়ার উল আলম শহীদ। সাবেক রাষ্ট্রদূত। মুক্তিযোদ্ধা। রক্ষী বাহিনীর ডেপুটি গভর্নর ছিলেন।

About Author

সাযযাদ কাদির

কবি ও বহুমাত্রিক লেখক। জন্ম: ১৯৪৭, টাঙ্গাইল। পেশা: সাংবাদিকতা, শিক্ষকতা। সাবেক সহকারী সম্পাদক, বিচিত্রা; দৈনিক সংবাদ। ভাষা-বিশেষজ্ঞ, রেডিও পেইচিং, গণচীন। পরিচালক, বাংলাদেশ প্রেস ইনস্টিটিউট। বই— কবিতা: যথেচ্ছ ধ্রুপদ; রৌদ্রে প্রতিধ্বনি; দূরতমার কাছে; দরজার কাছে নদী; এই যে আমি; জানে না কেউ; বিশ্ববিহীন বিজনে; মণিমালা সিরিজ; বৃষ্টিবিলীন; কবিতাসংগ্রহ। গল্প: চন্দনে মৃগপদচিহ্ন; অপর বেলায়; রসরগড়; গল্পসংগ্রহ। উপন্যাস: অন্তর্জাল; খেই; অনেক বছর পরে; জলপাহাড়: চার চমৎকার; আঁচ। প্রবন্ধ-গবেষণা: ভাষাতত্ত্ব পরিচয়; হারেমের কাহিনী: জীবন ও যৌনতা; রবীন্দ্রনাথ: মানুষটি; রবীন্দ্রনাথ: শান্তিনিকেতন; বাংলা আমার; সহচিন্তন; বিচলিত বিবেচনা; চুপ! গণতন্ত্র চলছে...; ম্যাঙ্গো পিপল উবাচ; সহস্রক; রমণীমন; রাজরূপসী; নারীঘটিত; সাহিত্যে ও জীবনে রবীন্দ্র-নজরুল। শিশুতোষ: মনপবন; রঙবাহার;এফফেনতি; উপকথন; উপকথন আরও; উপকথন আবারও; উপকথন ফের; উপকথন তেপান্তর; উপকথন চিরদিনের; ইউএফও: গ্রহান্তরের আগন্তুক; সাগরপার; মহাবীর হারকিউলিস; জানা-অজানা বাংলা; তেনালি রামন। ভাষান্তর: লাভ স্টোরি; রসচৈনিক। স্মৃতিকথা: নানা রঙের দিন। সম্পাদনা: শক্তি চট্টোপাধ্যায়ের শ্রেষ্ঠ কবিতা; দুষ্প্রাপ্য প্রবন্ধ; এই সময়ের কবিতা; এই সময়ের কবিতা ২০১৪; এই সময়ের কবিতা ২০১৫; শক্তি চট্টোপাধ্যায়ের প্রেমের কবিতা।