page contents
লাইফস্টাইল, সংস্কৃতি ও বিশ্ব

চিনির ১৪৩ বিপদ!

আপনার সার্বিক স্বাস্থ্যের জন্যেই কেবল ক্ষতিকর না চিনি, বরং আপনার সৌন্দর্য বা ত্বকের কথা চিন্তা করলে চিনি বিষতুল্য খাবার। ত্বক এবং শরীরের দ্রুত বয়স বৃদ্ধি, বলিরেখা ইত্যাদি নিয়ন্ত্রণ করতে চাইলে আপনার খাবার ও পানীয় থেকে সাদা চিনি কমিয়ে আনুন বা বিদায় করে দিন। ইউনিভার্সিটি অফ ক্যালিফোর্নিয়া সান ফ্রান্সিসকোর একটি গবেষক দল জনস্বাস্থ্য বাঁচানোর জন্যে পরামর্শ দিয়েছে যাতে অ্যালকোহল এবং তামাকের মতই চিনির উপর সরকারি নিয়ন্ত্রণ বসানো হয়। নিচে চিনির ক্ষতির তালিকা।

১. চিনি আপনার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দেয়।

২. চিনি শরীরে খনিজ পদার্থের কার্যকারিতা কমিয়ে দেয়।

৩. চিনি বাচ্চাদের কাজ করার আগ্রহ নষ্ট করে দিতে পারে।

৪. গর্ভাবস্থায় চিনি খেলে শরীরের পেশিকে দুর্বল করে শক্তি উৎপাদন কমিয়ে দেয়। এর ফলে শরীরের কাজ করার এবং ব্যায়াম করার সামর্থ্য কমে যায়।

৫. বাচ্চারা সোডা জাতীয় পানীয়ের সাথে চিনি খেলে তাদের দুধ খাওয়ার প্রবণতা হ্রাস পায়।

৬. চিনি গ্লুকোজ এবং ইনসুলিনের প্রতিক্রিয়া বাড়ায় এবং যারা গর্ভ নিরোধক ওষুধ খায় তাদের না খেয়ে বেশিক্ষণ থাকার সামর্থ্য কমিয়ে দেয়।

৭. চিনি রিঅ্যাকটিভ অক্সিজেন স্পেসিজগুলির (আর ও এস) বৃদ্ধি ঘটায়। এগুলি শরীরের কোষ টিস্যুকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ করতে পারে।

৮. চিনি শিশুদের মধ্যে দুশ্চিন্তা, মনোযোগের অভাব, পাগলাটে ভাব এবং উত্তেজনামূলক কাজের কারণ হতে পারে।

৯. চিনি রক্তে ট্রাইগ্লিসারাইডের পরিমাণ মারাত্মকভাবে বাড়িয়ে দিতে পারে।

১০. চিনি শরীরের ব্যাকটেরিয়ার ইনফেকশন থেকে সুরক্ষিত থাকার ক্ষমতা কমিয়ে দেয়।

১১. চিনি টিস্যুর কাজ ও স্থিতিস্থাপকতা কমিয়ে দেয়। আপনি যত চিনি খাবেন, তত স্থিতিস্থাপকতা কমতে থাকবে।

১২. চিনি শরীরের বেশি ঘনত্বের লিপো-প্রোটিন (HDL) কমিয়ে দেয়।

১৩. চিনি শরীরের ক্রোমিয়ামের অভাব ঘটাতে পারে।

১৪. চিনি মেয়েদের ডিম্বাশয় ক্যান্সার ঘটাতে পারে।

১৫. চিনি শরীরে গ্লুকোজের অভাব বৃদ্ধি করতে পারে।

১৬. চিনি শরীরে কপার ঘাটতির কারণ।

১৭. চিনি শরীরের ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেশিয়াম শোষণ করার প্রক্রিয়া ব্যাহত করে।

১৮. চিনি বয়সের সাথে সাথে চোখের টিস্যুগুলিকে দুর্বল করে দেয়।

১৯. চিনি ডোপামাইন, সেরোটনিন, নোরেপাইনফ্রিন বাড়িয়ে দেয়। এর ফলে শরীরে নিউরোট্রান্সমিটারের মাত্রা বেড়ে যায়।

২০. চিনি হাইপোগ্লেসিমিয়া ঘটাতে পারে। (হাইপোগ্লেসিমিয়া হলে হঠাৎ কাঁপুনি, হঠাৎ চোখে ঝাপসা দেখা, হঠাৎ অস্বাভাবিক আচরণের ঘটনা ঘটতে পারে।)

২১. চিনি হজমের সময় এসিডিটি ঘটাতে পারে।

২২. চিনি বাচ্চাদের শরীরে অ্যাড্রেনালিনের দ্রুত মাত্রা বাড়িয়ে দিতে পারে।

২৩. যাদের হজমের সমস্যা রয়েছে অধিকাংশ সময়ই তাদের শরীর চিনি গ্রহণ করতে পারে না।

২৪. চিনি তাড়াতাড়ি বয়স বাড়িয়ে দিতে পারে।

২৫. চিনি অ্যালকোহল আসক্তির দিকে নিয়ে যেতে পারে।

২৬. চিনির কারণে দাঁতের ক্ষয় হতে পারে।

২৭. চিনি অতিরিক্ত ওজন বাড়ায়।

২৮. চিনি আলসারের ঝুঁকি বাড়ায়।

২৯. চিনি গ্যাস্ট্রিক অথবা ডিওডেনাল আলসারের কারণ হতে পারে।

sugar 1

৩০. চিনির কারণে আরথ্রাইটিস হতে পারে।

৩১. চিনি স্কুলের শিশুদের শেখার প্রক্রিয়ায় সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে।

৩২. চিনি শরীরে ছত্রাকের ইনফেকশন বাড়াতে সাহায্য করে।

৩৩. চিনির কারণে পিত্তথলিতে পাথর হতে পারে।

৩৪. চিনি হৃদরোগের কারণ হতে পারে।

৩৫. চিনির কারণে এপেন্ডিসাইটিস হতে পারে।

৩৬. চিনির কারণে অর্শরোগ হয়।

৩৭. চিনির কারণে শিরা ফুলে যেতে পারে।

৩৮. চিনি মেয়েদের মাসিক সংক্রান্ত রোগ ঘটাতে পারে।

৩৯. চিনি অস্টিওপরোসিস-এর জন্যও দায়ী।

৪০. চিনি শরীরে সালিভা এসিডিটির মাত্রা বাড়িয়ে দেয়।

৪১. চিনি ইনসুলিনের কার্যকারিতা কমিয়ে দেয়।

৪২. চিনির কারণে রক্তে ভিটামিন ই-এর পরিমাণ কমে যেতে পারে।

৪৩. চিনি শরীর বৃদ্ধির জন্যে দরকারি হরমোনের পরিমাণ কমিয়ে দিতে পারে।

৪৪. চিনি কোলেস্টেরল বাড়ায়।

৪৫. চিনি অ্যাডভান্সড গ্লাইকেসন এন্ড উপাদান বাড়িয়ে দেয়। এর ফলে শরীরে নন-এনজাইমেটিকাল প্রোটিন তৈরি হয়।

৪৬. চিনি শরীরের প্রোটিন শোষণ প্রক্রিয়ায় বাধা দেয়।

৪৭. চিনির কারণে খাদ্যে অ্যালার্জি হতে পারে।

৪৮. চিনি ডায়াবেটিস বাড়ায়।

৪৯. চিনি গর্ভাবস্থায় রক্তে বিষক্রিয়া তৈরি করে।

৫০. চিনির কারণে শিশুদের অ্যাকজিমা হতে পারে।

৫১. চিনি হৃদরোগের কারণ হতে পারে।

৫২. চিনি ডি এন এ’র গঠন ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।

৫৩. চিনি প্রোটিনের কাঠামো পরিবর্তন করে।

৫৪. চিনি কোলাজেন-এর গঠন পরিবর্তন করে তাই ত্বকে বলি রেখা পড়ে।

৫৫. চিনির কারণে চোখে ছানি পড়ে।

৫৬. চিনির কারণে এমফিসেমা হতে পারে।

৫৭. চিনি আরথারোসক্লারোসিস ঘটাতে পারে।

৫৮. চিনি শরীরে কম ঘনত্বের লিপো-প্রোটিন(LDL) বাড়িয়ে দিতে পারে।

৫৯. চিনি শরীরের অনেক সিস্টেমের সাথে সম্পর্কিত সাইকোলজিক্যাল ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়াকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।

৬০. চিনি এনজাইমগুলির কাজ করার ক্ষমতা কমিয়ে দেয়।

৬১. চিনি খাওয়ার ফলে পারকিনসন রোগ বেড়ে যায়।

৬২. চিনি লিভারের কোষ বিভাজিত করে লিভার স্বাভাবিক অবস্থার তুলনায় বড় করে দেয়।

৬৩. চিনি লিভারে চর্বির পরিমান বাড়িয়ে দেয়।

৬৪. চিনি কিডনির সাইজ বড় করে এবং কিডনিতে প্যাথলজিক্যাল পরিবর্তন ঘটায়।

৬৫. চিনি অগ্ন্যাশয়ের ক্ষতি করে।

৬৬. চিনি শরীরের পানি ধারণ ক্ষমতা কমিয়ে দেয়।

৬৭. চিনি দেহের ভেতরে অন্ত্রের স্বাভাবিক কাজ করার প্রধান শত্রু।

৬৮. চিনি চোখের মাইওপিয়ার (ক্ষীণদৃষ্টি) কারণ হতে পারে।

৬৯. চিনি কোষের আবরণে সংকোচন ঘটাতে পারে।

৭০. চিনি মাংসতন্তু আরও দুর্বল করে দেয়।

৭১. চিনি মাইগ্রেনসহ বিভিন্ন ধরনের মাথাব্যাথার কারণ হতে পারে।

৭২. মেয়েদের অগ্নাশয়ের ক্যান্সারে চিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

৭৩. চিনি স্কুলের বাচ্চাদের পড়াশোনায় পরোক্ষভাবে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলতে পারে।

৭৪. চিনি বিষণ্ণতার কারণ হতে পারে।

৭৫. চিনি গ্যাস্ট্রিক কান্সারের ঝুঁকি বাড়ায়।

৭৬. চিনির কারণে বদহজম হতে পারে।

৭৭. চিনি গেঁটেবাতের ঝুঁকি বাড়াতে পারে।

spoi

 

৭৮. চিনি রক্তে জটিল শর্করার চেয়ে বেশি গ্লুকোজের মাত্রা বাড়ায়।

৭৯. চিনি শেখার ক্ষমতা কমিয়ে দেয়।

৮০. চিনি রক্তে ২ ধরনের প্রোটিন তৈরি করে—অ্যালবুমিন এবং লিপোপ্রোটিন। এর ফলে শরীরের চর্বি এবং কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষমতা কমে যায়।

৮১. আলঝেইমার ঘটাতে চিনির ভূমিকা আছে।

৮২. চিনির কারণে রক্তের প্লেটলেটে চিটচিটে ভাব তৈরি হতে পারে, যা রক্ত চাপের কারণ।

৮৩. চিনি হরমোনের ভারসাম্যহীনতা তৈরি করে। কিছু হরমোন বেশি সক্রিয় হয়ে যায় এবং কিছু হরমোন প্রয়োজনের তুলনায় কম সক্রিয় হয়ে যায়।

৮৪. চিনি কিডনিতে পাথর তৈরি করতে পারে।

৮৫. চিনি শরীরের অতিরিক্ত অক্সিডেশন ঘটায়।

৮৬. চিনি পিত্তথলির নাড়ির কান্সার ঘটাতে পারে।

৮৭. চিনি কমবয়সী অন্ত্বঃসত্তা মেয়েদের বয়সের তুলনায় ছোটো সাইজের শিশু জন্ম দেওয়ার ঝুঁকি বাড়ায়।

৮৮. চিনি কমবয়সী অন্ত্বঃসত্তা মেয়েদের গর্ভকাল কমিয়ে দিতে পারে।

৮৯. চিনি পরিপাক নালীর ভেতর দিয়ে খাবার চলাচলের সময়কে ধীরগতির করে দেয়।

৯০. চিনি স্টুলে পিত্ত এসিডের ঘনত্ব এবং কোলন-এর মধ্যে ব্যাকটেরিয়াল এনজাইমের পরিমাণ বাড়ায়। এর ফলে পিত্তের পরিবর্তন ঘটিয়ে ক্যান্সার তৈরির উপাদান তৈরি হতে পারে এবং কোলন ক্যান্সারও হতে পারে।

৯১. চিনি ছেলেদের এস্ট্রাডিওল হরমোন বাড়ায়।

৯২. চিনি ফসফাটেস (হজমের এনজাইম) ধ্বংস করে। এর ফলে হজম প্রক্রিয়া আরো কঠিন হয়ে যায়।

৯৩. পিত্তথলীর ক্যান্সারের জন্য চিনি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।

৯৪. চিনি একটি আসক্তি সৃষ্টিকারী বস্তু।

৯৫. চিনি অ্যালকোহলের মতো নেশাও তৈরি করতে পারে।

৯৬. চিনি মারাত্মকভাবে প্রিমেনসট্রুয়াল সিন্ড্রোম (PMS) বাড়াতে পারে।

৯৭. চিনি আবেগের স্থিতিশীলতা কমিয়ে দিতে পারে।

৯৮. চিনি খুব মোটা মানুষদের মধ্যে বেশি খাবার খাওয়ার প্রবণতা তৈরি করতে পারে।

৯৯. চিনি শিশুদের মনোযোগের অভাব আরও খারাপের দিকে নিয়ে যায়।

১০০. চিনি শরীরের অ্যাড্রিনাল গ্রন্থির কার্যক্ষমতাকে ধীরগতি করে দেয়।

১০১. শরীরে ইঞ্জেকশন দেওয়া হলে চিনি মস্তিষ্কে অক্সিজেন প্রবাহ বিচ্ছিন্ন করে দিতে পারে।

১০২. চিনি ফুসফুস কান্সারের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ।

১০৩. চিনি পোলিওর ঝুঁকি বাড়ায়।

১০৪. চিনি মৃগীরোগীদের হৃদরোগের কারণ হতে পারে।

১০৫. চিনি হৃৎপিণ্ডে রক্তচাপ বাড়াতে পারে।

১০৬. চিনি কোষের মৃত্যু ঘটায়।

১০৭. আপনি যতটুকু খাবার খান চিনি তার পরিমান বাড়িয়ে দেয়।

১০৮. চিনি কিশোর অপরাধীদের নীতি-বিরোধী কাজ করতে প্রোরোচিত করতে পারে।

১০৯. চিনি প্রোস্টেট ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ায়।

১১০. চিনি নবজাতক শিশুদের মধ্যে পানিশূন্যতা তৈরি করে।

১১১. চিনির কারণে মেয়েদের কম ওজনের শিশু জন্ম জন্ম দেওয়ার ঝুঁকি বাড়তে পারে।

১১২. সিজোফ্রেনিয়ার লক্ষণ চিনির কারণে বেড়ে যেতে পারে।

১১৩. চিনি রক্তপ্রবাহে হোমোসাইস্টেইনের-এর মাত্রা বাড়ায়।

১১৪. চিনি স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ায়।

১১৫. চিনি ক্ষুদ্রান্ত্রের ক্যান্সারের জন্যও ঝুঁকিপূর্ণ।

১১৬. চিনি বাকযন্ত্র সংক্রান্ত ক্যান্সারের কারণ হতে পারে।

১১৭. চিনি শরীরের লবণ ও পানি ধরে রাখাকে প্রভাবিত করে।

১১৮. চিনি ছোটোখাটো স্মৃতিভ্রম বাড়ায়।

১১৯. চিনি মিশ্রিত পানি শিশুর জন্মের পর মুখে দেয়া হলে, সেইসব শিশু ছোটোবেলা থেকেই স্বাভাবিক পানির চেয়ে চিনি-পানির প্রতি আসক্ত হয়ে পড়ে।

১২০. চিনির কারণে কোষ্ঠকাঠিন্য হয়।

১২১. চিনি নারীদের ডায়বেটিকের আগে ও ডায়বেটিক হওয়ার পরে মস্তিষ্কের ক্ষয় বাড়াতে পারে।

১২২. চিনি পেটের ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়াতে পারে।

১২৩. চিনির কারণে মেটাবলিক সিন্ড্রোম দেখা দিতে পারে।

১২৪. যখন কোন গর্ভবতী মহিলা চিনি খায় তখন ভ্রূণের নিউরাল টিউব-এর ক্ষয় বেড়ে যায়।

১২৫. চিনির কারণে হাঁপানি হতে পারে।

১২৬. চিনির কারণে পেটের ওজন বেড়ে যেতে পারে।

১২৭. চিনি শরীরের ভারসাম্যে সমস্যা তৈরি করতে পারে।

১২৮. চিনি মলদ্বারের ক্যান্সার ঘটাতে পারে।

১২৯. চিনি এন্ডোমেট্রিয়াল ক্যান্সার তৈরি করতে পারে।

১৩০. চিনি রেনাল (কিডনি) কোষের ক্যান্সার সৃষ্টি করতে পারে।

১৩১. চিনি লিভারে টিউমার সৃষ্টি করতে পারে।

১৩২. চিনি বেশি ওজনের মানুষদের রক্ত প্রবাহের মধ্যে জ্বালাময় পদার্থ তৈরি করতে পারে।

১৩৩. চিনি ব্রণ-এর কারণ ও ধারাবাহিকতায় ভূমিকা রাখে।

১৩৪. যৌন হরমোন নিয়ন্ত্রণ করে এমন জিন বন্ধ করার মাধ্যমে চিনি নারী ও পুরুষ উভয়ের যৌনজীবন ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।

১৩৫. চিনি ক্লান্তি, গাম্ভীর্য, ভয় ও বিষণ্নতা সৃষ্টি করতে পারে।

১৩৬. চিনি কোষের অনেক জরুরী পুষ্টি কমিয়ে দিতে পারে।

১৩৭. চিনি রক্তে ইউরিক এসিড বাড়িয়ে দিতে পারে।

১৩৮. চিনি সি-পেপটাইডের ঘনত্ব বাড়িয়ে দিতে পারে।

১৩৯. চিনি জ্বলুনি বা প্রদাহ ঘটাতে পারে।

১৪০. চিনি ডাইভারকাল্টিজ ঘটাতে পারে। এর ফলে কোলনের ভিতরে থলির মত কিছু একটা সৃষ্টি হয় এবং সবসময় মনে হয় কোলনের প্রাচীরকে বাইরের দিকে ধাক্কা মারছে। এবং এতে জ্বলুনির সৃষ্টি হয়।

১৪১. চিনি টেস্টেরিওনের তৈরি হওয়া কমিয়ে দিতে পারে।

১৪২. চিনি স্মৃতিশক্তির ক্ষতি করতে পারে।

১৪৩. চিনির কারণে চোখে ছানি পড়তে পারে।

About Author

শোভা আজাদ