page contents
লাইফস্টাইল, সংস্কৃতি ও বিশ্ব

জিমি লিন: নতুন এক ধরনের রক্ত পরীক্ষায় আগেই ধরা পড়বে ক্যান্সার

ক্যান্সারের আক্রমণ থেকে সুস্থ হয়ে ওঠার জন্য সবচাইতে সুবিধাজনক পদ্ধতি হল—যত দ্রুত সম্ভব সেই রোগ শনাক্ত করা। জিমি লিন মনে করেন, ক্যান্সার শনাক্ত করার প্রক্রিয়ায় তিনি একধাপ এগিয়ে গেছেন। এবার ক্যান্সার শনাক্ত করা যাবে রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে।

জিমি লিন একজন ক্যান্সার জিনোমিক্স গবেষক—অর্থাৎ, জিনগত পর্যায়ে ক্যান্সার কীভাবে কাজ করে তা নিয়ে গবেষণা করেন তিনি। গত এপ্রিল মাসে দেওয়া একটি টেড টকে তিনি ক্যান্সার শনাক্তকরণের প্রধান তিনটি পদ্ধতির ঘাটতি তুলে ধরেন।

প্রথমত, মেডিকেল কার্যক্রম অনেক বেশি কষ্টসাধ্য ও শরীরের জন্য আক্রমণাত্মক। দ্বিতীয়, প্রোটিন বায়োমার্কারের পরীক্ষার ফলাফলে প্রচুর ফলস পজিটিভ আসার সম্ভাবনা থাকে। আর তৃতীয়ত, ইমেজিংয়ের মাধ্যমে যে রশ্মি বিকিরিত হয়—তার মাত্রা অনেক সময় ক্ষতিকারক হতে পারে। আবার ইমেজিংয়ের মাধ্যমে সবার উপকারও হয় না।

এর সমাধানের জন্য গত কয়েক বছর যাবৎ লীন ও তার বায়োটেক কোম্পানি ‘ন্যাটেরা’ কাজ করে যাচ্ছে। একটি গবেষণায়, ফুসফুস ক্যান্সারের রোগীদের রক্ত পরীক্ষা করা হয়। সিটি স্ক্যানের মত প্রথাগত পদ্ধতির মাধ্যমে যে ফল পাওয়া যেত, তার ১০০ দিন আগেই এই রক্ত পরীক্ষায় ক্যান্সারের পুনরাবর্তন ধরা পড়ে। লীন মনে করেন, এই ১০০ দিনই জীবন ও মৃত্যুর মাঝে পার্থক্য গড়ে দিতে পারে।

টেড টকে জিমি লিন:

‘নেচার’ জার্নালে প্রকাশিত লীন ও তার দলের গবেষণাপত্র থেকে জানা যায়, ২৪ জন ক্যান্সার রোগীর রক্ত পরীক্ষার ক্ষেত্রে ক্যান্সার ডিএনএ শনাক্ত করার হার ছিল শতকরা  ৯৩ ভাগ। এই ফলাফলে কোনো ফলস পজিটিভও পাওয়া যায় নাই।

এছাড়া প্রথাগত পদ্ধতিগুলির চাইতে প্রায় ১১ মাস আগেই এ পরীক্ষার মাধ্যমে ক্যান্সারের পুনরায় আবির্ভাব চিহ্নিত করা গেছে।

বিজনেস ইনসাইডার, ১৪/৮/২০১৭

About Author

সাম্প্রতিক ডেস্ক