page contents
সমকালীন বিশ্ব, শিল্প-সংস্কৃতি ও লাইফস্টাইল

জেরি লুইস: ‘ফরাসিরা আমাকে কেন ভালবাসে? আমেরিকান সমালোচকরা মনে করে, এর কারণ ফরাসিরা সবাই গাধা।’

কমেডিয়ান জেরি লুইস বেঁচেছিলেন ৯১ বছর। ২০ আগস্ট, ২০১৭ তারিখে মারা যান তিনি। এই দীর্ঘ জীবনে প্রচুর খ্যাতি পেয়েছেন, জড়িয়েছিলেন নানা বিতর্কে। নিজ দেশ আমেরিকায় সমালোচকদের কাছে সমাদর পান নাই, কিন্তু ফ্রান্সে তার জনপ্রিয়তা ছিল অভূতপূর্ব ও অনন্য। সঙ্গী ডিন মার্টিনের সাথে ‘মার্টিন অ্যান্ড লুইস’ শো-এর সাফল্যের পর নিজের একক ক্যারিয়ারও ছিল উজ্জ্বল। চলচ্চিত্রে অভিনয়ের পাশাপাশি পরিচালনাও করেছেন। এছাড়া দাতব্য সংস্থা ‘মাস্কুলার ডিস্ট্রফি এসোসিয়েশন’ এর ন্যাশনাল চেয়ারম্যানের দায়িত্বে থেকে সংগ্রহ করেছিলেন প্রায় ২৬০ কোটি ডলার অনুদান।

১৯৮৩ সালের মে মাসে কান চলচ্চিত্র উৎসবে বিখ্যাত সমালোচক রজার ইবার্ট জেরি লুইসের এই সাক্ষাৎকারটি নিয়েছিলেন।

জেরি লুইসের সাক্ষাৎকার (১৯৮৩)

সাক্ষাৎকার: রজার ইবার্ট

অনুবাদ: আয়মান আসিব স্বাধীন


“আমি তো পুরা চলে গিয়েছিলাম,” বলছিলেন জেরি লুইস, “প্রায় দুই মিনিটের জন্য আমি নাই। আমার হার্ট তখন ভি-ট্যাক অবস্থায় পৌঁছে গেছে।” হাত মুঠো করে আমাকে দেখাচ্ছিলেন তিনি, “এ অবস্থায় আপনার হার্ট অর্ধেক বন্ধ হয়েই আটকে যায়। আমি তখন একদম মৃত। সেই সময় একজন চমৎকার কালো নার্স এসে বক্সার ল্যারি হোমসের মতো আমার বুকে জোরেশোরে আঘাত করলেন। আমি ফিরে আসলাম। আর তারপর থেকেই আমার মাঝে ভয় কাজ করা শুরু করে।”

দ্য নাটি প্রফেসর (১৯৬৩) সিনেমার দৃশ্য

ফ্রান্সের দক্ষিণে বসন্তের এই চমৎকার বিকালে এ ধরনের কথোপকথন বেশ অদ্ভুত ঠেকছিল আমার কাছে। অন্যদিকে সৈকতের সামনে হাতুড়ি নিয়ে ৩৬ তম কান চলচ্চিত্র উৎসবের বিলবোর্ড লাগাচ্ছিলেন কাঠমিস্ত্রিরা।

কার্লটন হোটেলের কর্নার সুইটে বসে জেরি লুইস ছোট ছোট নীল রঙের ক্যান্ডি চিবাচ্ছিলেন। তার মতে, প্রতিটা ক্যান্ডিতে নাকি মাত্র সাত ক্যালরি করে আছে। ক্যান্ডিগুলি দুই-এক মিনিট চোষার পর তার পায়ের কাছে ধরনা দিয়ে বসে থাকা কুকুরটাকে খেতে দিচ্ছিলেন তিনি। তামাটে গায়ের রঙে বেশ সুস্থ সবল দেখাচ্ছিল তাকে। ১৯৫৬ সালের স্কুলে পড়া কোনো ছেলে প্রেমিকার সাথে প্রথম ডেটিংয়ের সময় যেভাবে চুল ঠিক করে—ঠিক তেমনি তার গাঢ় কালো চকচকে চুল ব্যাকব্রাশ করা। আমরা তার গত ডিসেম্বরের ওপেন-হার্ট সার্জারি নিয়ে আলাপ করছিলাম।

“এখান থেকেই সব শুরু,” তার পরনের টেনিস শর্ট পর্যন্ত একেবারে উলঙ্গ পা দেখিয়ে আমাকে বললেন তিনি। “কাটা জায়গাটা দেখতেছেন না? এটা হলো শিরা। এই কাটা দাগ পুরা পা জুড়ে উঠতে উঠতে একেবারে বুকের কাছে চলে গেছে। সেখান থেকে গেছে কাঁধ পর্যন্ত; তারপর মনে করেন কাঁধ ছাড়িয়ে একেবারে পাশের রুমের লোকটার শরীর পর্যন্ত পৌঁছে গেছে। অপারেশনের পর আপনার হার্ট হয়ে যায় পাঁচ বছর বয়সী। আশা করি আমারও তাই হয়েছে। আমি দিনে ২০ ঘণ্টা করে কাজ করতাম। দারুণ লাগত আমার। টানা ৪৩ বছর দিনে তিন প্যাকেট করে সিগারেট খেয়ে এসেছি। আমার তো ভালোই লাগত। আর তারপরই…”

“আয়রনি হলো, বিখ্যাত কার্ডিয়াক সার্জন মাইকেল ডি বেকি আমার ভালো বন্ধু। কিন্তু লাস ভেগাসে এসে অপারেশন করে দেওয়ার সময় ছিল না তার। আর সত্যি কথা বলতে, আমার কাছে নষ্ট করার মতো পাঁচ মিনিটও ছিল না। আমি মাইকেলের সাথে অনেক থেকেছি। এ ধরনের অপারেশন দেখা ছিল আমার। অপারেশনের সময় ভেগাসের ডাক্তার যখন আমার ওপর ঝুঁকে পড়লেন, আমি জানতাম উনি ঠিক কী কী বলবেন। ‘ব্ল্যাক এন্ড ডেকার’ কোম্পানির ইলেক্ট্রিক করাত দিয়ে ভ্রুম  করে কাটা শুরু করবেন, তারপর রিট্র‍্যাক্টর দিয়ে আপনার বুকের হাড় খুলবেন—এর সবই চিনতাম আমি।”

যতটুকু সময়ের জন্য তিনি মৃত ছিলেন, সে সময় পরকালীন কোনো অভিজ্ঞতা হয়েছিল কিনা জানতে চাইলাম। ন্যাশনাল এনকোয়ারার ম্যাগাজিনে এক ধরনের লেখা পাওয়া যায়, যেখানে মৃত্যুর জগৎ থেকে ফিরে আসা ব্যক্তিরা তাদের ওপারের অভিজ্ঞতায় উজ্জ্বল এক আলোর কথা বলেন; সেখান থেকে হাত বাড়িয়ে মৃত আত্মীয়রা ডাকতে থাকেন তাদেরকে।

রজার ইবার্ট

মুখে আরেকটা নীল ক্যান্ডি পুরে চোখ কুঁচকে তিনি বললেন, “আমার শুধু মনে আছে, একটা ঝিম ঝিম ভাব এসেছিল। এটুকুই। আবার ওই অবস্থা থেকে ফিরে আসার পর জেগে ওঠার অদ্ভুত রকম একটা অনুভূতি হয়েছিল। একই সাথে খুব ভালো বোধ করছিলাম।”

তবে সার্জারির পরবর্তী প্রতিক্রিয়া হিসাবে কিছুটা ভুলে যাওয়ার প্রবণতা তৈরি হয়েছে বলে জানালেন তিনি: “আমার মাথা আর আগের মতো তীক্ষ্ম নাই। যেসব জিনিস খুব ভালো করে মনে থাকার কথা সেগুলিও কয়েক সেকেন্ডের জন্য মাথা থেকে গায়েব হয়ে যায়। এটা একটা; আরেকটা ব্যাপার হলো, আমি এখন ছিঁচকাঁদুনে হয়ে গেছি। আমাকে নিয়ে কোনো ভালো কথা বলেন, আমি কাঁদতে কাঁদতে অস্থির হয়ে যাব। আর তিন নাম্বার হলো, ডিপ্রেশন ও ভয়ঙ্কর সব দুঃস্বপ্ন। ডি বেকি বলেছেন, এ সবই আমার নিরাময়ের অংশ। ছয় মাসের মধ্যেই সব ঠিক হয়ে যাবে।”

কিংবা আরো তাড়াতাড়িও হতে পারে। জেরি লুইস আবারো সেই দেশে এসেছেন যেখানকার মাটিই হয়তো তার জন্যে টনিক হিসাবে কাজ করবে। ফরাসিদের কাছে তিনি বর্তমান সব শিল্পীর মাঝে অন্যতম সেরা, একজন মাস্টার অফ সিনেমা, অমর এক জোকার এবং গ্রেট একজন চলচ্চিত্র পরিচালক। আমেরিকায় যে তিনি এতটা উচ্চপ্রশংসিত না—শুধু এটুকু বলাই নিরাপদ হবে। এই বছর কানের উদ্বোধনী রাতে প্রদর্শিত হবে রবার্ট ডি নিরো’র সাথে তার অভিনীত মার্টিন স্করসেজি’র নতুন সিনেমা ‘দ্য কিং অফ কমেডি’।

ফ্রান্সে জেরি লুইস; ১৯৮০ সালের ছবি

তিনি বললেন, “এটাই আমার দেশ। আমি তো আমেরিকায় থাকি শুধু।” জানালার বাইরে তাকিয়ে সৈকতের দুলতে থাকা তালগাছগুলি দেখছিলেন তিনি, “পার্থক্যটা হলো, ফ্রান্সে সমালোচক ও দর্শক দুই মহলেই আমি সফল, কিন্তু আমেরিকায় শুধু দর্শকরা আমাকে ভালবাসে। আমার শেষ সিনেমা (হার্ডলি ওয়ার্কিং) মানবজাতির ইতিহাসে সবচাইতে বাজে রিভিউ পেয়েছিল আমেরিকাতে। কিন্তু তারপরও ভালোই কামিয়েছে ছবিটা। ফরাসিরা আমাকে কেন ভালবাসে? আমেরিকান সমালোচকরা মনে করে, এর কারণ ফরাসিরা সবাই গাধা। কিন্তু এখানে অবস্থাটা একবার দেখেন—”

প্রায় এক ফুট উঁচু একটা ম্যাগাজিনের স্তূপ দেখালেন তিনি, “মাত্র এক সপ্তাহেই এসব পেয়েছি আমি। ফ্রান্সের প্রত্যেকটা ম্যাগাজিন আমাকে নিয়ে লিখতেছে। এটাতে দেখেন, এয়ারপোর্টে লাগেজসহ আমার একটা ছবি। এই যে কাহিয়ে দু সিনেমা, সেই বিখ্যাত ফিল্ম ম্যাগাজিন; আপনার মনে হয় আমাকে নিয়ে যা বলার ছিল তা এর মধ্যেই সব লেখা হয়ে গেছে? এই যে দেখেন: ১৮ পৃষ্ঠা।”

আমি জানতে চাইলাম—এবার ফ্রান্সে তিনি এমন একটা সিনেমা নিয়ে এসেছেন যেখানে তার চরিত্রকে এক পাগলাটে ভক্ত কিডন্যাপ করে প্রায় খুন করে ফেলে—ব্যাপারটা কেমন অদ্ভুত না? কারণ ফেস্টিভ্যাল প্যালেসে গিয়ে হাঁটা শুরু করলেই তো কানের সব ফটোগ্রাফার, টিভি কর্মী ও ভক্তরা তার জন্য উপচে পড়বে।

দ্য কিং অফ কমেডি সিনেমার শুটিংয়ে  (বাঁ থেকে) জেরি লুইস, রবার্ট ডি নিরো ও মার্টিন স্করসেজি

“ফ্রান্সে এসে তোষামোদ পেতে খুব ভালো লাগে আমার। এখানে সবাই আপনার এতটুকু কাছে আসবেন। এর একটু বেশিও না,” তার শরীর থেকে এক হাত দূর পর্যন্ত দেখালেন তিনি, “আমেরিকায় ভক্তরা অনেক কাছে চলে আসে। আপনাকে উপরে আর পেছনদিক থেকে ঘিরে ফেলবে। ছুঁয়ে দেখতে চাইবে। আর সবচাইতে ভয়ঙ্করগুলি তো পুরা আপনার মতো হতে চাইবে।”

আমাদের মাঝখানে রাখা কফি টেবিলটার দিকে তাকালেন লুইস। ওটার উপরে একটা টেপ রেকর্ডারে আমাদের কথোপকথন ধারণ করা হচ্ছে। রেকর্ডারটা উনার। আমি রুমের ভেতর আসার পর থেকেই ওটা চালু করা।

তিনি জিজ্ঞেস করলেন, “আপনি টেপ রেকর্ডার ব্যবহার করেন না কেন?”

আমি বললাম, কখনো করা হয় নাই তাই।

“যে কারণে কথাটা জিজ্ঞেস করলাম,” বললেন তিনি, “টেপ রেকর্ডার ব্যবহার করলে আপনি যার সাক্ষাৎকার নিচ্ছেন—সরাসরি তার চোখের দিকে তাকাতে পারবেন। আর চোখই তো সব গল্প বলে। আতঙ্কজনক কোনো জনতার মাঝে যারা সবচাইতে ভয়ানক, তাদের চোখ দেখলেই বোঝা যায়।”

“অনেকেই আছে ফ্যানাটিক। তারা আপনার ভেতরে ঢুকে কিছু সময় কাটাতে চায়। আপনার চোখ দিয়ে দেখতে চায় সবকিছু। এই কোকিলগুলিকে দেখলে চেনা যায়। এদের ব্যাপারে সাবধান থাকতে হবে। তারা আপনাকে এতটাই ভালোবাসে যে চাইলে আপনাকে খুনও করে ফেলতে পারে। ‘দ্য কিং অফ কমেডি’র গল্পটা এটা নিয়েই।”

দ্য কিং অফ কমেডি সিনেমার দৃশ্য

“একটা উদাহরণ দেই। অনেক বছর আগে, শিকাগো থিয়েটারে কাজ করছিলাম। ডিন মার্টিনের সাথে আমার নিয়মিত অনুষ্ঠান চলছিল। অনুষ্ঠান শেষে ব্যাকস্টেজে এক মহিলাকে দেখলাম। টিনএজ উলফ সিনেমায় মাইকেল ল্যাংডনের চোখগুলি যেরকম ছিল, ওই মহিলার চোখও ওইরকম। দেখার কিছুক্ষণ পর মহিলাটার কথা আর মনে নাই আমার।”

“পরের দিন রাতে আমি আর ডিন মিলে ‘কাপস হার্ভেস্ট মুন বল’ এর জন্য একটা দাতব্য অনুষ্ঠান করছিলাম। দেখি, আবার ওই মহিলা। ওখানে প্রায় দশ হাজার মানুষ। ত্রিশ-চল্লিশ জন পুলিশ আমাদেরকে নিরাপত্তা দিচ্ছেন। কিন্তু তারপরেও সেই মহিলা আমাকে ধরে ফেললো। চিৎকার করে উঠলো, ‘জেরি! আই লাভ ইউ!’ তারপর এইভাবে চেপে ধরলো আমাকে,” বলতে বলতে লুইস আমার গলা চেপে ধরলেন, “বিশ জন পুলিশ মিলেও তাকে ছাড়ানো গেল না। আমার চেহারা ততক্ষণে আপনার জিন্সের রঙের মতো হয়ে গেছে। শ্বাস নিতে পারতেছি না। উপায় না দেখে যত জোরে সম্ভব তার পেট বরাবর একটা ঘুষি মারলাম। এত জোরে মেরেছিলাম, আমি নিশ্চিত সে এখনো শিকাগোর রাস্তায় ওই অভিজ্ঞতার কোনো না কোনো আঘাত সাথে নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে।”

কিছুটা ঝুঁকে এসে কফি টেবিলের ওপর থেকে এক টুকরা চুইংগাম নিলেন জেরি। রেকর্ডারটা বন্ধ করে টেপ কিছুটা পিছিয়ে দিয়ে কয়েকটা কথা আবার বাজালেন—”চোখই তো সব গল্প বলে।” এরপর আবার নতুন করে শুরু করলেন রেকর্ড।

আরো পড়ুন: রজার ইবার্ট: লেখক, ক্রিটিক, লেজেন্ড

“তো মানুষজনের ভিড় সামলানোর জন্য আমি যা শিখেছি তা হলো, সবসময় আস্তে আস্তে হাঁটতে হবে। ভক্তরা আপনাকে একবার শুধু ভালো করে দেখতে চায়। আপনি তাড়াতাড়ি হাঁটলে ওরা আপনাকে দেখতে পারবে না এই ভয়ে তাদের মাঝে ক্রাউড সাইকোলজি দানা বাঁধতে থাকে। শুরু হয় হট্টগোল। অনেক মানুষজন দেখলে আমি সবসময় ধীরেসুস্থে হাঁটি।” জেরি উঠে দাঁড়ালেন, তারপর কল্পনায় ভিড়ের মধ্য দিয়ে হাঁটা শুরু করলেন। “হ্যালো! এই যে আমি! হাই! দেখেন আমি কত আস্তে হাঁটতেছি। আরে, কী অবস্থা ভাই? কেমন আছেন?”

তারপর আবার বসে পড়ে বললেন, “দরকার শুধু ব্যক্তিগত সংযোগ। যাতে করে ওরা মনে না করে যে আপনি চলে যাবেন।”

২০১৩ সালের ট্রাইবেকা ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে (বাঁ থেকে) মার্টিন স্করসেজি, জেরি লুইস ও রবার্ট ডি নিরো

কিন্তু তারপরও আমি বললাম, আপনি তো অতিভক্তি তেমন অপছন্দ করেন না। অথচ ‘কিং অফ কমেডি’তে এমন ভক্তদের কাহিনি দেখানো হয়েছে যারা রীতিমতো ফ্যানাটিক। সিনেমাটাতে সেই ভক্তদের একজন ভিকটিম আপনি। আর এই ছবি দেখেই কিনা এখানকার সবাই বাহবা দিবে। অদ্ভুত ব্যাপার।

লুইস বললেন, “ভক্তি যদি প্রশংসা হিসাবে কাজ করে তাহলে আমার ভালো লাগে খুব। দেখেন, চারিদিকে এমন অনেক মানুষ নিশ্চয়ই আছে যাদের জীবনে এরকম কিছু ঘটলে তারা প্রচণ্ড আনন্দিত হবেন।”

কমেন্ট করুন

মন্তব্য

About Author

আয়মান আসিব স্বাধীন
আয়মান আসিব স্বাধীন

জন্ম. ঢাকা। লেখক ও অনুবাদক। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগে পড়ছেন। বই. সিনে-লয়েড (২০১৭, চৈতন্য)।

Leave a Reply