নিখোঁজ সাংবাদিক কিম ওয়ালের লাশ সাগরে ফেলে দিয়েছেন জানালেন সাবমেরিন নির্মাতা

শেয়ার করুন!

পড়ুন: এ সম্পর্কিত আগে প্রকাশিত সংবাদ

১০ আগস্ট, ২০১৭ তারিখের সাবমেরিন যাত্রায় উদ্ভাবক পিটার ম্যাডসেনের সঙ্গী ছিলেন একজন সাংবাদিক মহিলা। সাবমেরিনটি কোপেনহেগেনের কাছে ডেনমার্ক উপকূলে ডুবে যাওয়ার পর ম্যাডসেন উদ্ধার পেলেও সাংবাদিককে খুঁজে পাওয়া যায় নাই। এ অভিযোগে তাকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে।

গ্রেপ্তারের পর গত ২১ আগস্ট পুলিশ জানায়, সেই সাংবাদিককে মাঝসমুদ্রে ফেলে দিয়েছেন পিটার। তার ভাষ্যমতে, কিম ওয়াল নামের এই সাংবাদিক মহিলা সাবমেরিনে থাকাকালীন ‘দুর্ঘটনায়’ মারা যান। পরে তার লাশ সাগরে ফেলে দেন তিনি।

সাবমেরিনে সাবমেরিন নির্মাতা পিটার ও সাংবাদিক কিম

ডেনমার্কের এই নৌ-রহস্যের জিজ্ঞাসুদেরকে এরকম জবাব মোটেও সন্তুষ্ট করতে পারছে না।

১০ আগস্ট বিকালে ওয়ালকে সর্বশেষ দেখা যায়। তিনি পিটারের সাথে ‘ইউসিথ্রি নটিলাস’ সাবমেরিনে চড়ে বেরিয়ে পড়েন। তার উদ্দেশ্য ছিল, ‘ব্যক্তিগত মালিকানায় বিশ্বের সবচাইতে বড় এই সাবমেরিন’ এর নির্মাণের ব্যাপারে পিটারের সাক্ষাৎকার নিবেন।

কিম ওয়াল
২০০৮ সালে সাবমেরিন নটিলাস-এর উদ্বোধনীতে পিটার ‘রকেট’ ম্যাডসেন।

এই নতুন তথ্য দেওয়ার আগ পর্যন্ত পিটার পুলিশকে জানিয়েছিলেন, তাদের যাত্রা শুরু হবার সাড়ে ৩ ঘণ্টা পর সেই সাংবাদিককে কোপেনহেগেনের একটি দ্বীপের পোতাশ্রয়ে নামিয়ে দেন তিনি।

দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস এই চাঞ্চল্যকর রহস্যকে ‘স্ক্যান্ডিনেভিয়ার বিখ্যাত সব ক্রাইম-থ্রিলার’ গল্পের সাথে সাথে তুলনা করছে।

পানি থেকে ওঠানোর পর সাবমেরিন।

এতদিন পর্যন্ত ওয়ালের পরিবার তার ফিরে আসার ব্যাপারে আশাবাদী ছিল। কিন্তু গত সপ্তাহে সেই আশাও ছেড়ে দেন তারা। ওয়াশিংটন পোস্টকে তার মা-বাবা ও এক ভাই বলেন, “মনে হচ্ছে সর্বনাশ যা হবার হয়ে গেছে।”

উল্লেখ্য, ম্যাডসেন ও অন্যান্য স্বেচ্ছাসেবীরা মিলে জনসাধারণের অর্থসাহায্যে ডুবে যাওয়া সাবমেরিনটি নির্মাণ করেন ২০০৮ সালে।

সূত্র. ওয়াশিংটন পোস্ট, ২১ আগস্ট ২০১৭

কমেন্ট করুন

মন্তব্য

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here