page contents
লাইফস্টাইল, সংস্কৃতি ও বিশ্ব

রাত্রি

ফেসবুক চালাইতে গিয়া যখন আমি দ্বিতীয়বার রাত্রিরে পাইলাম, সেটা একটা সহজ সুখানুভূতির বিষয় হইল। ভালোই লাগল কেবল, তার বেশি কিছু না।

তখন মনে হওয়ার কোনোই চান্স দাঁড়াইল না যে, আমি আর রাত্রি খুব শিগগিরই এইরকম বাই দ্য রিকশা শিশা টানতে যাব। তো, এখন যে আমি তার সঙ্গে রিকশা দিয়া যাইতেছি শিশাবারের উদ্দেশে, সেটা এক বিশাল আশর্যের ব্যাপার। আমি সারপ্রাইজড হইলাম তো বটেই, উপরন্তু গদ গদ ভাব নিয়া রাত্রির দিকে তাকায়া রইলাম। রাত্রি মৃদু একটা হাসি দিয়া কইল, “তুমি না, কিউট!”

saad rahman logo

রাত্রিরে দ্বিতীয়বার পাওয়ার ব্যাপারটা কিন্তু সিরিয়াস। আমিই তারে খুঁজে বের করছি। অনেক কাল ধরেই আমি তার নাম বিভিন্ন কায়দায় লিখে সার্চ করতেছিলাম। ফলে এক পর্যায়ে তারে পায়া যাওয়ার পরের উত্তেজনাটা সামলাইতে আমার হিমশিম খাইতে হলো। পারলাম বটে, কিন্তু এটা একটা গুরুতর চিন্তার বিষয়।

আমি রাত্রিরে জিজ্ঞাস করলাম, “আচ্ছা, আমি কি তোমারে এখনো ভালোবাসতে পারি?”

রাত্রি আরেকবার মৃদু হাসি দিল। আমি দেখলাম, হাসিটা ভয়ঙ্কর। মানে হইল, আমি তারে ভালোবাসতে পারি।

কেন পারি? হাসি দেওনের অর্থ কী? সে হাসি দিয়া বোঝাইল, “পারোই তো!”

আসলে রাত্রিরে ভালোবাসতে পারাটা অনুচিত হবে। সেই কবে একবার ক্ষাণিকটা প্রেম হইছিল। কিস-টিস কিছুই হয় নাই। রাত্রি বাসা পাল্টাইল, তাতে করে ওরে আর পাওয়া গেল না। এই হলো ঘটনা।

এই ক্ষণে এসে আমার অন্তরে ধীর লয়ে কিছু এশকাল (অভিযোগ) বাসা বানাইতে নিল। যেমন, রাত্রি কি আমারে ভাঙতে চায়? ভাঙার অর্থটা আধুনিক। অনেকের মাঝেই তো এই ভাইঙ্গা খাওয়ার প্রবণতা রইছে। ওরে আমি বললাম, “রাত্রি, তুমি কি রাতে ঘুমাও নাই?”

ওই নগদেই দেখি চোখ বড় কইরা ফেলল। দ্যান খুব কষ্টসহ কইল, “আমার না আসলে রাতে একদম ঘুম হয় না।”

রাতে যেহেতু ঘুম হয় না তো, আমি বললাম, “তাহলে আমরা রাত্তিরে কথা-টথা বলতে পারি। কী বলো? মোবাইলে কথা বললে তো বেশ আরাম লাগে, মজাও আছে।”

saad-drawing-1

অলঙ্করণ. সাদ রহমান

রাত্রি দেখি এই কথায় কিছুটা ডিফেন্সে গিয়া দাঁড়াইল, “না না, মধ্যে মধ্যেই আমার ঘরে এসে আম্মু ঘুমায়।”

তারো পর আমি ওর মুখেই জানতে পারলাম, এই যে কথা কওয়া-কওয়ি প্রচলনটা জারি আছে, সেটায় তার লাইক নাই।

আমি রাত্রিরে নিয়া ধানমণ্ডি কেএফসির সামনে নামলাম। বিকাল হইতে হইতে আছে। সম্পূর্ণ সন্ধ্যা সন্ধ্যা একটা ভাব তখনো ইস্টাবলিশ হয় নাই। রাত্রিরে বললাম, “আমরা কি এই বারেই শিশা খাবো? নাকি আই হসপিটালের ওদিকেরটায়?”

রাত্রি আমার কথায় অত্যন্ত গুরুত্বারোপ করনের পরে কী জানি ভাবল। ভাবার ব্যাপারে আমার সন্দেহ আছে যদিও। ও কইল, “প্রথমবার তো, আমরা এইচ-টুতেই টানি।”

রাত্রির মধ্যে একটা দয়ালু চরিত্র মাথাচাড়া দিতে দিতেও মারা খাইল। আমি একবার “ওকে” বইলা সিগ্রেট কিনলাম। লিফট দিয়া ওঠার টাইমে ভাবলাম, তাহলে রাত্রি নিয়মিতই আমার সঙ্গে বারে যাইতে চায়। প্রথমবারে এইচ-টু, তারপরে এলএইচএফ। সেটায় আবার শিশার দাম কম।

“আচ্ছা রাত্রি, আমরা আজকের পরে আবার কবে আসতেছি?” রাত্রি যেন খুবই আনন্দ পাইল। ভিলেজের মেয়েদের মতো সরল মুহূর্তে প্রবেশ কইরা ফেলল। বললো, “আগে ঠিক-ঠাক বাসায় যাই।”

মনে মনে আমি ভাবলাম, আজকে তো একটা সোমবার, আরেক সোমবারে আসুম নে। আজকে চৌদ্দ তারিখ, একুশ তারিখে। তখন চলতি বছরের এপ্রিল চলে। অল্প কয়দিন আগেরই ঘটনা।

এইচ-টু বিষয়ে বলি। খুব বড় এক বার। অনন্ত-অনন্ত শিশার গন্ধ। সহসাই আমাদের মনরে হরণ করতেছে। আমরা মুখোমুখি হইয়া কোন দূরে-দূরে ভাব নিয়া বসলাম না। একই সোফায় বসলাম, রাত্রি অবশ্য ক্ষাণিকটা দূরত্ব মারাইল। নো ম্যাটার! আমি শিশার অর্ডার দিলাম।

এইখানে আটশ টাকা দিতে হয়। ভ্যাট বাদে। শিশাপ্রতি। অন্যখান থিকা অল্প একটু বেশিই। কিন্তু বিরাট স্ক্রিনে চলতেছে আইটেম গান। সেই গানে মাধুরী নাচতেছে। দেইখা আমার হৃদয় জুড়ায়া গেল। রাত্রিরে জিজ্ঞাসা করলাম, “তোমার প্রিয় নায়িকা কে?” এই কোশ্চেনে ওর অল্পও ভাবতে হইল না। সশব্দে কইল, “সানি লিওন।” যেন সানি লিওন কওয়াটাই একটা বিপ্লব। রাত্রির বিপ্লবে যেটা হইল, এই নাম শোনার পরে আমি সরাসরি ওর বুকের দিকে তাকাইতে আরম্ভ করলাম। মানে কোথায় জানি একটা সাহস লভিত হইছে। সেই সাহস বড়ই মধুর, আমারে রাত্রির নিকটে নিয়া গেল।

শিশা জিনিসটা কিন্তু মন্দ না। আমি আর রাত্রি বারংবার ফুয়েল চেনজ করতে বলতেছি। টানতেছি। এদিক-সেদিক তাকায়া দেখতেছি। অনেক কাপলই অন্তরঙ্গ হইতে পারছে। বরঞ্চ অন্তরঙ্গ হয়া বসতে পারাটাই যেন অধুনা ঢং। কাছাকাছি হওয়া আর কি! ধরেন কাঁধে মাথা রাখা। অথবা দুইজনের আঙুলগুলা মিলায়া মিলায়া মুঠি বানানো। আরেকটা শ্রেণী অবশ্য দেখা গেল, যারা সিরিয়াস ভঙ্গিতে শিশা টানতেছে। সেই সঙ্গেই আলাপ চালাইতেছে। মনে হইতেছে, তারাই আসলে কর্পোরেট। ধরাধরি করার কাজগুলা বাসায়-বাড়িতে কিম্বা হোটেলে করে। রাত্রি আমার তলপেটে একটা খোঁচা দিলো, “সাদ দেখছো? কী সুইট!”

আমি নতচোখে চাইলাম। প্রথমে তো ভাবতেছিলাম, পোলা মানুষ। দেখি যে আঠারো উনিশ টাইপের এক মেয়ে ফ্রক-টাইটস পইরা বসে আছে। আসলেই সুন্দর লাগতেছে। কিন্তু সেটা রাত্রিরই চোখে পড়লো। রাত্রি আবার বললো, “মাই গড! কী সেক্সি!”

রাত্রির বয়স আমার থিকাও কম। আমার তো উনিশ, তার হবে সতেরো। যত যাই হোক, রাত্রি কিন্তু ম্যারেড। সেটা আমি দ্বিতীয়বার অরে পাওয়ার পরে জানলাম। চ্যাটে যখন ওই আমারে এই কথা বললো, তখন সহজাত একটা দুঃখচর্চা আমারে ধইরা বসলো। অজান্তেই এমন হইল যে, দুঃখ কইরা একটা ফ্যান্টাসি করা চাই। ‘আহা রে আমার রাত্রি’ টাইপের ফ্যান্টাসি। শিশায় একটা দীর্ঘ টান দিয়া রাত্রিরে জিজ্ঞাস করলাম, “তুমি বিয়াটা করলা কেন?” ওই পুনরায় ড্যাম কেয়ার মুডে আমারে এন্স দিলো, “করছি! মন চাইছে!” এমন কথায় আমি কিছুটা বিলম্বিত হইলাম। এর মধ্যেই ও জানাইলো, “ডিভোর্স দিয়া দিবো তো!”

বিশাল টিভিতে চলতেছিলো আমার খুব প্রিয় এক গান। আমি ঘাড় ফিরায়া ওরে বললাম, “তাই দাও। কোন্‌ এক বালের জামাই।”

রাত্রির পরিবারটা কেমন জানি। ওর এক বোন আছে, সেই বোনটাও শিথিল ক্যাটাগরির না। বিয়াগুলা আসলে কেমন কইরা হয়, এ নিয়া আমার উদ্বেগ। “রাত্রি, তোমার বিয়াটা আসলে কেমনে হইলো? তা কিন্তু তুমি আমারে বলো নাই।” রাত্রি একটা ভাব নেয়ার কোশেশ করতেছে। তথা অরে নেশায় ধরছে, এই রকম বোঝাইতে চাইতেছে। ওই বললো, “তুমি যে বললা, বালের জামাই, আসলে সাদ, তা কিন্তু না। তোমাকে আমি ইন্টিলিজেন্ট ভাবছিলাম।”

এহ রে! আমার নিজেরই উপরে রাগ হইলো। আমি বললাম, “তুমি তো অরে ডিভোর্স দিতে চাও?” রাত্রি জানাইলো, তার জামাইয়ের বিশাল শরীর। হ্যান্ডসাম। এবং সে জব করে। এবং তার থিকা তেরো বছরের বড়। আমি বললাম, “অ আচ্ছা।” কিন্তু ডিভোর্সের লগে এই তথ্যগুলার মিল পাকাইতে গিয়া আমি নিজেই পাকায়া গেলাম।

যা হোক, আমাদের তো বার থেকে বাইরানো উচিত। ঘণ্টা দুই হইলো। কিন্তু আমার মনে আর শরীরে একটা দুইটানা রকমের অবস্থা। মানে, মনটা চাইতেছে না বাহির হই। শরীরটা রাত্রির কতো কাছে গিয়া থামছে। তবু কী আর করা, রাত্রি অনেকবার উঠবার কথা বলতেছে। আমি কালক্ষেপণের উদ্দেশ্যে পুনরায় তার ঊরুতে কিঞ্চিৎ টিপ দিয়া জিজ্ঞাস করলাম, “তোমার বোনও তো বিয়া করছে, তাই না?” ও জানাইলো একই সিচুয়েশন। “বিয়া করছে, কিন্তু আপুও এখন ডিভোর্স চায়।”

অর কথায় বুঝলাম, ওর বোনের ডিভোর্সক্রিয়া চূড়ান্তে গেছে। একটা শেষ হইলে আরেকটা প্রক্রিয়াধীন হবে। তখন রাত্রির পালা। আমি বললাম, “রাত্রি একটা কিস দেই?” ওই চোখ ঘুরাইলো। অবাক হইতে হইতেই আমি অরে কিস দিয়া ফেললাম। বললাম যে, “চলো এইবার উঠি!” এইসব কামে ওই হতোদ্যম হয়া গেলো। মুখে সামান্য হাসির লেপন দিয়া ক্রেজিনেস দাঁড় করাইলো, দ্যান কইলো, “কুত্তা! তুই কি আমার জামাই লাগস? তুই কিস করলি ক্যান?”

আমি হাসতে থাকলাম।

এইচ-টুতে অনেক টাইম থাকায় এখন রাস্তাঘাট বিদেশের মতো লাগতেছে। আমরা সিএনজি নিলাম। সিদ্ধান্ত এই যে, আমি অরে বাসায় পৌঁছায়া দিব। এরই মাঝে যেই খবর দেওয়া হয় নাই, রাত্রি শিশাবার থেকে বাহির হয়া খুবই সাহসী এক কাজ করলো। অরে কিন্তু অত নেশায় ধরে নাই। বাট ওই আমার গলাটা জড়ায়া ধইরা তারপর হাঁটলো। পইড়া যায় যায় ভাব। নেশায় একজন মাতাল মহিলা, এমন দেখাইলো। আমি অরে সিএনজিতে বসাইলে পরে তৎক্ষণাৎ ওই আমার উপরেই যেন শুয়া গেল। আমি সিগ্রেট ধরাইলাম। অন্য হাতে রাত্রিরে আদর করতে থাকলাম। খুব আদরমাখানো কণ্ঠে অরে কইলাম, “রাত্রি! আই ওয়ান্ট টু ম্যারি ইউ।” আরো কইলাম, যেমন, “জানো, আমি চাকরি করি। আমরা নিকেতনের অদিক বাসা নিয়া থাকবো।” রাত্রি জড়ানো গলায় মৃদু হাসলো। এই হাসিটা ছলনা দিয়া টম্বুর যদিও, কিন্তু মাথায় নিলাম না। আমি মুখটা নামায়া আনতেই ওই একটা ভরপুর কিস দিলো।

আমি কইলাম, “আচ্ছা রাত্রি, তুমি কি মডেল হইবা?” মডেল হইবার মানে ওই মনে হয় বুঝে নাই। বোঝাইলাম, “যে, তুমি কি অভিনয় করবা? আর আমি যেই পত্রিকায় আছি, ওইটার লাইফ স্টাইলে তোমার ফটোগ্যালারি গেল।”

রাত্রি বারংবার হাসি হাসি ভাব করতে লাগল। আর প্রত্যেক হাসিতেই আমার মরণ ঘনায়া আসে। রাত্রি জিজ্ঞাস করল, “মডেল বানাইতে কি তোমরা টাকা নেও?”

আমি কইলাম, ‘কীসের? তোমার থেকে আমি টাকা নিমু?”

ওই ক্লিয়ার করতে গিয়া কইলো, “তা না! আসলে নেও কি-না। তাইলে আমার এক বান্ধবী আছে। মডেলিং করার কী যে শখ ওর!”

রাত্রিরে বললাম, “তা, আমি তোমার বান্ধবীটির জন্য কী করতে পারি?”

খানিকটা ভাবনের অভ্যাস আছে রাত্রির। ওই কইলো, “আচ্ছা, অরে তোমার নাম্বার দিয়া দিব নে।”

আমি হতাশাচ্ছন্ন হইতে থাকলাম। এরই মাঝে ও আমারে সতর্ক কইরা দিলো, “তুমি কিন্তু শ্রাবণীরে কিছু টাকা নিয়া কিছু বইলো না।”

আমার সমঝ আসলো যে, ওর বান্ধবীটিই শ্রাবণী। এবং সমঝ আসলো যে, রাত্রি শ্রাবণী হইতে টাকা নিবে। আমি আকাশপানে চাইতে চেষ্টা করলাম। যেন আমার দুঃখ চাই। ইতিমধ্যে রাত্রি সোজা হইয়া বসলো। এবং অতি ভদ্র ও সংযত আচরণ দেখাইতে লাগলো। তাছাড়া, অর যেন খুব তাড়া আছে। সিএনজিঅলারে বললো, “শিট! এই রাস্তায় আপনেরে আসতে কে বলছে?”

আমি পকেট হইতে মোবাইল বাইর করে দেখি, সতেরোটা মিসকল। বাপ রে! ভাবলাম, কী বুঁদ না হইছিলাম আমি রাত্রির মধ্যে। আমি সটান জিজ্ঞাসা করলাম, “তোমার বান্ধবী কি আমারে টাইম দিবে?”

এমন কথায় তো অর রাগার কথা। ওই সেই রকম মৃদু হাসলো। কইলো, “সেটা তো তোমার ফিটিং কইরা নেয়ার কথা।”

আমি এতটাই অবাক হইলাম, যেন কিংকর্তব্যবিমূঢ়। “আচ্ছা রাত্রি, আমি না তোমারে কিস করলাম। তোমারে কইলাম, ম্যারি মি!”

রাত্রি অত্যধিক অ্যাডাল্ট একটা জোক শুনলো মনে হয়, জিব্বা কামড় দিয়া চোখটেপা হাসি মারলো। এভাবে এভাবে সিএনজি আইসা থামলো অর বাসা হইতে নিরাপদ দূরেই একটা মোড়ে। আমরা নামলাম। অর তো অনেক তাড়া! ফলে ওই নাইমাই হাঁটা দেওয়ার ইঙ্গিত দিলো। আমি ভদ্রতাবশত কইলাম, “আচ্ছা রাত্রি, তোমার অনেক দেরি হইলো।” আসলেই তো দেরি হইলো। ও কইলো, “আচ্ছা তাহলে বাই বাই!” পরেই হাঁটারূপে দৌড় দিলো। একটু খনেই আবার ফিরে আইসা আমার হাত ধরলো, কানের কাছে অর ঠোঁট নিয়া কইলো, “সাদ, তুমি কিন্তু শ্রাবণীরে কিছু বইলো না। প্লিজ লাগে, তুমি দরকারে ফিটিং দিয়া নিও!”

আমি ফিটিংয়ের কথাই ভাবতে লাগলাম। সেইসঙ্গে আকাশের দিকে চায়া সিগ্রেট ধরায় দিলাম। অর মায়েরে বাপ!

২৪ আগস্ট ২০১৫

About Author

সাদ রহমান

জন্ম. ঢাকা, ১৯৯৬। কবিতার বই: 'কাক তুমি কৃষ্ণ গো' (২০১৬)।