page contents
লাইফস্টাইল, সংস্কৃতি ও বিশ্ব

ব্যক্তিমালিকানাধীন সাবমেরিন ডুবি—সাংবাদিক নিখোঁজ—অ্যামেচার সাবমেরিন নির্মাতা গ্রেফতার

২০০৮ সালে জনসাধারণের অর্থসাহায্যে পিটার ম্যাডসেন ‘ইউসিথ্রি নটিলাস’ সাবমেরিন নির্মাণ করলে তা মিডিয়ায় আলোড়ন তৈরি করে। প্রায় ৬০ ফুট লম্বা ৪০ টনের এই জলযানটি ব্যক্তিগত মালিকানায় বিশ্বের সবচাইতে বড় সাবমেরিন ছিল বলে জানা যায়।

১০ আগস্ট, ২০১৭ তারিখের যাত্রায় পিটারের সঙ্গী ছিলেন একজন সাংবাদিক মহিলা। সাবমেরিনটি কোপেনহেগেনের কাছে ডেনমার্ক উপকূলে ডুবে যাওয়ার পর ম্যাডসেন উদ্ধার পেলেও এখনো পর্যন্ত সাংবাদিককে খুঁজে পাওয়া যায় নাই।

‘ইউসিথ্রি নটিলাস’

ড্যানিশ উদ্ভাবক পিটারকে—যিনি নিজেকে ‘ইনভেন্ট্রোপনোর’ বলে (ইনভেন্টর ও অন্ট্রাপনোর) দাবি করেন—আটক করা হলে তিনি জানান, তাদের যাত্রা শুরু হবার সাড়ে ৩ ঘণ্টা পর সেই সাংবাদিককে কোপেনহেগেনের একটি দ্বীপের পোতাশ্রয়ে নামিয়ে দেন তিনি।

সুইডিশ ও ড্যানিশ মিডিয়া জানিয়েছে, সেই সাংবাদিক পিটারের সাবমেরিন সম্বন্ধে রিপোর্ট তৈরির জন্য তার সাথে সফরে বেরিয়েছিলেন।

পুলিশের বিবৃতিতে বলা হয়, সাবমেরিনটি ৭ ফুট গভীর পানিতে ডুবে আছে। কিন্তু ডুবুরীরা নিরাপদে এর ভেতর প্রবেশ করতে না পারায়, শনিবার সকালে একে বন্দরে টেনে ওঠানোর আশা ব্যক্ত করেন তারা।

পুলিশ ও পিটার ম্যাডসেন

পিটার ম্যাডসেনের কোপেনহেগেন-কেন্দ্রিক কোম্পানি ‘আরএমএল স্পেসল্যাব’ বর্তমানে মানুষদেরকে মহাকাশে পাঠানোর উদ্যোগ নিয়েছে। তাদের ওয়েবসাইটের তথ্যমতে, সেই উদ্দেশ্যে ভাসমান লঞ্চ-প্যাড, নভোচারীদের পরীক্ষামূলক মেশিন ও রকেট নির্মাণ করছে তারা।

“আমাদের সুপরিচিত জগতের বাইরের অঞ্চলগুলি ঘুরে দেখার রাস্তা খুঁজে বেড়ানোই আমার প্যাশন,” ওয়েবসাইটে লিখেছেন পিটার, “স্বেচ্ছাসেবী এঞ্জিনিয়ার ও প্রযুক্তিবিদদের দলের সাহায্যে অবাণিজ্যিক যন্ত্র নির্মাণ করে গতানুগতিক জীবনধারাকে চ্যালেঞ্জ জানাই আমি।”

লস অ্যাঞ্জেলেস টাইমস, ১২/৮/২০১৭

About Author

সাম্প্রতিক ডেস্ক