page contents
লাইফস্টাইল, সংস্কৃতি ও বিশ্ব

মাখন সম্পর্কে আপনি যা জানতেন, সব ভুল

butter-2আপনি যদি অল্প পরিমাণে মাখন খান, ক্ষতি নেই।

ব্রিটিশ মেডিক্যাল জার্নালে প্রকাশিত সাম্প্রতিক এক স্বাস্থ্য গবেষণা জানাচ্ছে, ঘনীভূত স্নেহজাতীয় খাদ্য খাওয়ার সঙ্গে করোনারি হার্ট ডিজিজ বা হৃদরোগের কোনো সম্পর্ক খুঁজে পাওয়া যায় নি।

গত অর্ধশতাব্দী ধরে কিন্তু বিশেষজ্ঞ আর পুষ্টিবিশারদরা ঠিক বিপরীত কথা বলে আসছিলেন। তারা বয়স্ক লোকদের সবসময় মাখন খেতে নিষেধ করে এসেছেন।

গবেষণাটি অবশ্য ‘পর্যবেক্ষণমূলক’, মানে মানুষজনের খাদ্যগ্রহণের স্মৃতি বিশ্লেষণ করা হয়েছে। জিজ্ঞেস করা হয়েছে, তারা কী কী খাবার খেয়েছে। তারপর তাদের স্বাস্থ্যের রেকর্ড ঘাটা হয়েছে, মানে তারা করোনারি হার্ট ডিজিজে ভুগেছেন কিনা, স্ট্রোক হয়েছে কিনা বা টাইপ-টু ডায়াবেটিসে ভুগছেন কিনা।

এই গবেষণায় এসব রোগ আর ঘণীভূত ফ্যাট খাওয়ার মধ্যে কোনো যোগসূত্র পাওয়া যায় নি। তবে একটা যোগসূত্র পাওয়া গেছে ট্রান্স-ফ্যাট খাওয়ার সঙ্গে। ট্রান্স-ফ্যাট হচ্ছে ভেজিট্যাবল ওয়েল থেকে বাণিজ্যিক পর্যায়ে হাইড্রোজেনেশন প্রক্রিয়ায় তৈরি করা ফ্যাট, যেমন মার্জারিন।

butter-3

তা এই গবেষণার ফলাফলের ভিত্তিতে তাহলে স্বাস্থ্য বিশারদরা এখন কী পরামর্শ দেবেন?

তারা কি বয়স নির্বিশেষে সকলকে বলবেন, ইচ্ছেমতো নিশ্চিন্তে ঘি-মাখন খেয়ে যেতে? না সেরকম নয়। ঘি-মাখন খাবেন, কিন্তু অল্প পরিমাণে। বেশি পরিমাণে খেলে ব্যক্তিভেদে কারো কারো মধ্যে ক্ষতিকর প্রভাব পড়তে পারে, গবেষকরা বলেছেন।

নতুন গবেষণার আলোকে তাহলে চর্বিযুক্ত কোন খাবারগুলি ভালো?

পুষ্টিবিশারদরা বলছেন, পলিআনস্যাচুরেটেড ফ্যাট যেমন অলিভ অয়েল, চর্বিযুক্ত মাছ, টাটকা ফলমূল, শাক-সবজি, গ্রেইড ব্রেড এগুলি নিরাপদ। এছাড়া দুধ, পনির, মাখন, ক্রিম, রেড মিট, মিল্ক চকোলেট, নাড়কেলের তেল এগুলিও নিরাপদ।

About Author

সাম্প্রতিক ডেস্ক