page contents
লাইফস্টাইল, সংস্কৃতি ও বিশ্ব

মুম্বাইয়ের ‘স্মৃতি’ (২)

(আগের কিস্তি)

৪.
গোয়ালন্দের দিকে গিয়া কুয়াশা পাইছিলাম। চারদিকে খালি ঝাপসা। আর নিরব নিস্তব্ধতা। গাড়ির সবাই মরা ঘুমে। আমার কেমন নিশার মত ঝিমুনি আর আরাম লাগতেছিল। ভাইসা ভাইসা এতদিন শোনা কোনো রূপকথার দেশে হারায় গেছি গা মনয়।

ভালোয় ভালোয় কলকাতা পৌঁছাইলাম।

ইমিগ্রেশনে চাপ আছিল, বহুদিন পর সেই দিন নাকি খুলছে। লাগছে ঠ্যালা। লাইনে খাঁড়াইতে আমার ক্লান্তি নাই। যেমুনই হউক যাহাই হউক আমি সিস্টেমে চলি। রাস্তা পার হইতে নিলে খাড়ায়া থাকি, ক্লিয়ার হইলে তারপর আস্তে ধীরে পার হই। আমার অত তাড়ামারা নাই।

bhromon-logo

বাংলাদেশ ইমিগ্রেশানের সময় লাইনে ঢুকে খাড়াইয়া গেলাম। আশেপাশে দালালরা ঘুরতাছে। দূর থেকে সাদা, সাদার মতন এয়ারহোস্টেস স্টাইলে শাড়ি পরা ম্যাডাম আমারে দেখছে। যেইটারে স্মার্ট আর অন্য রকম লাগছে সেই মহিলা কাছে আসলে আমার দিকে একটু চাইয়া মাথা নিচু কইরা লিখতে লিখতে বা সই দিতে দিতে আমারে কিছু কথা কইল আস্তে আস্তে। যেন কত ব্যক্তিগত। ভাববাচ্যে কথা।

—কোথায় যাওয়া হচ্ছে?

কইলাম, ইন্ডিয়া অফকোর্স।

—ইন্ডিয়া কোথায়?

মুম্বাই।

—কী কাজে যাওয়া হচ্ছে?

ঘুরতে।

যেহেতু লাইনেই খাড়াইয়া আছি টাইমটা পাস করি ভাইবা ইমিগ্রেশনে আমার এক পরিচিতরে কল দিলাম। সে আমারে লাইন থেইকা বাইর কইরা এক জায়গায় বসায় কাজ আগাইয়া দিল। তারে টাকা দিতে চাইলাম। সে শক খাবার মতো পিছন দিকে সরে গেল, “এটা কী করলেন ভাই!? আপনার অভিনয় দেখছি, আমি আপনারে ভালো করে চিনি তো। আপনি মনে হয় আমারে চিনেন নাই।”

মুম্বাই কোস্টাল রোড

মুম্বাই কোস্টাল রোড

আমি আসলেই তারে অত ভালো করে চিনি না। চেহারাও না।

সে মাথার চুল ছিঁড়ে আশেপাশে তাকায়া কইল, “খবরদার এই কাম কইরেন না। খালি আমি না কাউরে কোনো টাকা-পয়সা দিবেন না।”

তারপর সে আমারে বর্ডারের গেটে নিয়ে যাবার সময় ক’জন দালাল আসলো ব্যাগ নিয়ে সাহায্য করতে। সে তেড়ে গেলো, “এই বেটা দূরো। কাছে ভিড়বি না।”

আমাকে বর্ডারের গেট পর্যন্ত নিয়া পার করে দিল। ওখানে পুলিশ, গার্ড, চেক ছিল তারাও দেখি কিছু কয় না। সব মিলায়া আমি লজ্জায় পইড়া যাই।

আমি সব সিস্টেম আর গ্যান্জামের ভিতর দিয়া যাইতে চাই আসলে। ঠ্যালার মধ্যে কত মানুষ, কত মন, কত কথা, কত রঙ এইসব দেখতে দেখতে! ঠ্যালার নাম বাবাজি।

৫.
ঐপারে গিয়া ইন্ডিয়ান ইমিগ্রেশনে আরেক লাইনের মইধ্যে পড়লাম। আমি যথারীতি একান্ত অনুগত মুমিন বান্দার মত লাইনে খাড়াইয়া গেলাম। একজন আমাকে খুঁজতে খুঁজতে পেয়ে ছুটে আসল।

বললাম, “ভাই আমি ঠিক আছি। ইচ্ছে করেই লাইনে দাঁড়াইছি।”

সে চলে গেল, ঐ ভাইয়ের কাছ থেকে ফোন আসল। মিথ্যা কইলাম, “ভাই এখানে আমার কিছু পরিচিত পাইছি তাদের সাথে আছি। মজা করতে করতে যাচ্ছি।”

এই অবস্থায়, বাংলাদেশের কেউ বা কলকাতারই কেউ বাংলাদেশে আইছিল কলকাতা ফিরা যাইতাছে, এমন কেউ আমার কাছে যখন কোনো হেল্পের জন্য আসে, ভাল্লাগে। হেল্প করি।

লাইনে আমার সামনে এক বিশাল বক্ষা মহিলা, তার সামনে এক টিনেজ, তার সামনে লম্বা দাড়ি, টুপি, পাঞ্জাবি পরা এক হুজুর। বিশাল বক্ষা মহিলা হাতে বিশাল গাট্টি ধইরা আছেন। কোনোটাই সামলাইতে পারতেছেন না। “সকলের তরে সকলে আমরা প্রত্যেকে আমরা পরের তরে” ভাইবা আমার ইচ্ছা হয় একটু জনসেবা করি। বলি “দিদি আমি ধরি?” ব্যাগ ধরি। কিন্তু বলতে পারলাম না।

রোদের তেজও পড়ছে সে রকম। বিশাল বক্ষা মহিলা ঘামতেছেন। মিথেন গ্যাসের কড়া গন্ধ পাইলাম। মহিলা খুব অস্বস্তি নিয়া আশেপাশে তাকান। পিছনে তাকান। আমার দিকে ঘুরলেই তার ‘খানা’ আমার মুখে আইসা পড়ে। আমার ক্ষিধা চাড়া দিয়া ওঠে।

হুজুরও কামে-বেকামে পিছন দিকা তাকাইতেছে। হুজুর পিছন দিকে ঘুরে ঘুরে মহিলার সাথে কথাবার্তা কইতেছে। একসময় হুজুর ঘোড়া ডিঙ্গাইয়া ঘাস খাইয়া ফেলল। দিদিরে কইল, “আপনার মেয়েরে ব্যাগ দিয়া ছায়ার মধ্যে রেস্ট নিতে পাঠান। দুইজনে ব্যাগ নিয়া রইদে কষ্ট করার মানে নাই। আমি জায়গা দেইখা রাখতেছি।”

সবাই চায় ছায়ায় বসে আরাম করতে। আবার লাইনের সবার তাড়া, সবাই আগে যাইতে চায়। এত তাড়া! তাই কেউ জায়গা ছাইড়া গেলে পরে আইসা সেই জায়গা আর পাওয়া যাচ্ছে না।

দিদি হুজুরের ভরসায় টিনেজ মেয়েটারে গাট্টি লইয়া পাঠায়া দিলেন দূরে ছায়ায়। আহ্‌! এমন মানবদরদী হুজুর। আমার চোখে পানি আইসা যায়! তাদের মইধ্যে খাতির হয়া গেল।

নেহরু সেন্টার, ওরলি, মুম্বাই

নেহরু সেন্টার, ওরলি, মুম্বাই

এবার হুজুরের পিছনে দিদি, দিদির পিছনে আমি। মানুষ চানাচুর-মানাচুর, ডাব কিইনা খাইতেছে। যেহেতু ভাব হইয়া গেছে রইদের তেজ আর মহিলার ঘাম বাইরাইতেছ, হুজুর মহিলারে ডাব মাব খাবে নাকি জিগাইল।

ওখানে লাইনে একটা ফর্ম ফিলাপ করতে হয়। আমার গ্রীনলাইনের লোক ওখানে ছিল। আমি পরপোকারি হুজুররে কইলাম, “হুজুর আমি ফর্মটা ফিলাপ কইরে এক্ষনি আসতেছি। জায়গাটা দেখবেন।”

হুজুর বললো, “অবশ্যই। কোনো সমস্যা নাই।”

আমি নিশ্চিন্তে ছুট দিলাম। ছোট্ট ফর্ম ফিলাপ শেষে হুজুর তো আছেই শিশি দিব কি দিব না কইরাও দিলাম না। আইসা দেখি আমার জায়গা মাইর, লাইনে সবাই লাগালাগি পজিশনে।

হুজুররে কইলাম, “কই হুজুর? জায়গা কই?”

হুজুরে আঞ্চলিক টানে কয়, “কী করতাম! কী অবস্থা দেখেন না?”

আমি হুজুরের লগে আর মুলামুলিতে গেলাম না। পরে বেহেস্ত পামু না। ইন্ডিয়ান এক নওজোয়ান আইসা কয়েকটা পোলারে ধাক্কা দিয়া লাইনে ঢোকায়, “লাইনপে খাড়া লাইনপে খাড়া!”

ইন্ডিয়ান আর বাঙালির ক্যারেক্টার একই। চান্স পাইলে লাইন থেইকা বাইর হইয়া সামনে যায় গা। দুই নাম্বারি কইরা পার হইতে চায়। পিছন থেইকা হই হই করে ওঠে। আমি হাইসা পিছনে আবার লাইনে গিয়া দাঁড়াইলাম। গ্রীনলাইনের ওরা আইছিল হেল্প করতে। তাদের আশ্বস্ত করলাম, “রিল্যাক্স। আমি ঠিকাছি। অল কোয়ায়েট অন দ্যা ওয়েস্টার্ন ফ্রন্ট। সব ঠিকাছে।”

হুজুরের জন্য কষ্ট হচ্ছে। দিদির লগে যে লেপ্টালেপ্টি অবস্থা। অযু গেছে নিশ্চিত!

এর মধ্যে আর লেখার সাথে কন্টাক্ট হয় নাই। লাইনে খাড়ায়া আমার সমস্যা হয় নাই কিন্তু এতক্ষণে আমার স্নিকার, জামার দফা-রফা হইছে। হায়! হায়! লেখার সামনে এমনে গরিবী হালে কেমনে হাজির হমু? লেখারে অভিযোগ করমু, কী কষ্ট কইরা আসছি দেখছো! যে লাইন, যে ঠ্যালা, যে পাব্লিক, যে রইদ, যে ধুলা! আমার সাধের জুতা-জামার কী অবস্থা দেখছো!

ইন্ডিয়ান ভিসা আর ইমিগ্রেশনের গল্প আলাদা কইরা লিখন যাইব। আসলে এইটা শুট কইরা দেখাইতে হইব।

বর্ডার পার হওনের পরও আমার দেশী সিম কাম করতেছিল। বড় আপায় কল দিছে, বর্ডারে ইন্ডিয়ায় এক ঠ্যাং বাংলাদেশে এক ঠ্যাং দিয়া দেশী কল রিসিভ করলাম। ফিলিং: উইড়া যামু!

বন্ধুবান্ধবের কল আইলে রিসিভ কইরা কিছুক্ষণ কথা কইয়া তারপর কইতাম, “খাড়া খাড়া, কাট জলদি কাট, আমি ইন্ডিয়াতে।” দুষ্টামি করি। কোনো ছবি তুলি নাই। পয়লা গিয়া বর্ডারের কাছেই ‘সাহা টি স্টল’-এ চা খাইলাম। চা খেয়ে বাংলাদেশী খুচরা টাকা ছিল, দিলাম।

—দাদা এগুলো তো চলবে না।

ইন্ডিয়ান টাকা দিলাম। পয়লা ইন্ডিয়ান টাকার লেনদেন। ওখানে গ্রীনলাইনের কাউন্টারের লোক আছিল আগে থেইকা। হালকা নাস্তাপানি কইরা আবার উইঠা গেলাম গ্রীনলাইনে। সিম কিনতে হয় নাই। ভাই-ব্রাদার রুমেল একটা ভোডাফোন সিম দিয়া দিছিল। বাসে বইসা সেইটা অ্যাক্টিভ করলাম। লেখারে এখন ফোন দিমু না, জানামু না। প্ল্যান কী করুম আগে ঠিক করি। পরে ফোন দিমু ভাবতে ভাবতেই কেমন একা অসহায় লাগতেছিল। দিলাম লেখারে কল।

লেখা ঘুম থেকে উঠছে এমন একটা ভাবে পোলাগো মত খসখসে গলায় কইল: “হ্যা-লো।”

—আমি সাধু।

সে চেনে না। শুনে নাই নাকি?

গদ গদ হয়া কইলাম, “আমি কলকাতা নামছি…।” কইতে কইতে লাইন কাইটা গেল। কয়েক পয়সার মত আছিল ফোনে। ধ্যারু!

নিজের উপর মেজাজ খিঁইচা আছে ব্যাপক। নিজেরে সামলাইলাম। কিন্তু কেমুন জানি কেমন জানি হইতেছিল মনের ভিতর। এমনে হয় নাকি। কার কথায় আমি নাইচা নাইচা মুম্বাই যাইতেছি? আমারে চেনে না, আমি চিনি না। যাউক গা। আমার মত আমি যামু, আমার মত থাকুম। নাচেঙ্গে গায়েঙ্গে ঘুরেঙ্গে, ফিরেঙ্গে এশ করেঙ্গে অর ক্যায়া।

লেখা কল দিল, “খুব বিজি” কইল। ধ্যাত্তেরিকার বিজি!

বাই রোডে আইলে ইন্ডিয়া বর্ডারের জায়গাটার নাম হরিদাসপুর। এখান থেকে কলকাতা যাইতে হয়। অনেকক্ষণ লাগে। গ্রাম, মফস্বলের মতো এলাকা পার হয়া যাইতেছি। যাইতে যাইতে দেখলাম ঐখানেও ‘যশোর রোড’ নামে জায়গা আছে। জার্নিতে আমার বিরক্তি নাই সে যতক্ষণ লাগুক কি গাড়ি বইসা থাকুক। তার উপর যাইতে যাইতে দেখতে মজাই লাগতেছিল। মনের ভিতরের হাহাকারটা যাইতাছে না।

৬.
অনেকক্ষণ পর শেষমেশ কলকাতা আইলাম। কলকাতা নাইমা আরো হেল্পলেস পাইয়া বইল। হঠাৎ কইরা কনফিডেন্স প্ল্যান সব লইয়া ছ্যাড়াবেড়া হয়া গেলাম। কই থাকুম, কী কিনুম, কই যামু, কার কাছে যামু কিচ্ছু বুঝতাছি না। সবটার মূল হচ্ছে আমার হালার স্মার্টফোনে চার্জ যায় যায় সেইটা। নাইলে এক জায়গায় বইসা আমার নেটওয়ার্ক ঘুরায়া খেল দেখায়া দিতাম। লেখারে আর ফোন দেই না।

একটু ভাবনা কইরা সবার আগে প্রায়োরিটি দিলাম কিছু খাইতে হবে।

খাইতে ভালো একটা রেস্টুরেন্টে ঢুকলাম। চওমিন লইলাম। একজনের চওমিন যে এরা পুরা হাঁড়িসহ ধরায়া দিব বুঝি নাই। খাইয়া আর শেষ করতে পারি না। তো? থুইয়া চইলা আমু, সার্ভ করছে যে পোলা তারে টিপস দিলাম। এত বড় নোট দেয় না নাকি কেউ? সে যেমনে তাকাইল, বেশি দিয়া ফেললাম?

আফসোস করার আগেই সে কয়, বাকি খানা পার্সেল দিয়া দিবে নাকি? বাহ্‌ ভালো বুদ্ধি তো, দেও পার্সেল। পরে খাওন যাইব।

সেইটা পরে বিপদে পইড়া মজা কইরা খাইছিলামও। পোলাটার কথা মনে পড়ল। যাওয়ার সময় আবার ডাক দিল, আবার আসবেন কিন্তু। না, শুরুর আথিতেয়তা ভালোই পেলাম।

খাইয়া এবার কই যামু! লেখা কইছিল কী কী করতে, মাথা গুলায়া ভুইলা যাইতেছি। এক ফোনের দোকানে গেলাম রিচার্জ, আর নেট ভরতে। স্ক্রিনে কিছু কাজ করবার সুবাদে কেউ কেউ চিনে। কিন্তু সেটা কলকাতায় ঘটবে আমার আশার বাইরে ছিল। এখন নেট, ইউটিউবের যুগ। দোকানি চিইনা ফেলল। বসাইল, চা খাইতে কইল, আশেপাশে থেইকা পরিচিত কিছু বাংলাদেশি ডাইকা আনল, “দাদা আপনাদের দেসের দাদা, চিনতে পেড়েছেন? ঐ যে, ঐটা… কী দাদা!”

কলকাতা এসে কল্কে পাইলাম। সে যাদের ডাকল তার মধ্যে আমার চট্টগ্রামের এলাকার এক লোকরেও পাইয়া গেলাম। আর যাই কই! ভূমধ্যসাগরে মালয়েশিয়ার বিমানের ধ্বংসাবশেষের টুকরার দেখা পাইলাম। আবার ল’ পাঁশশত। এর মধ্যে দোকানে ব্যাপক ভিড়, ঠেলাঠেলি শুরু হয়া গেল। দোকানিও আর আমার দিকে বিশেষ নজর দিতে পারতেছে না। চা কী আইব? বলছিল। ফোনটা চার্জ দিতে চাইলাম, তাও দেয়া গেল না। দোকানের চাপচুপ দেইখা ইজ্জত লইয়া বাইর হয়া গেলাম। রাস্তার এইপার যাই ঐপার যাই, চা খাই।

লেখা ফোন দিল। ভূমধ্যসাগরে একটাই বাতিঘর। মাঝে মধ্যে জ্বলে আর নিভে।

লেখা কইল যে, মুম্বাইতে কবে নামতেছি, হোটেলে কথা কইছি কিনা। কয়, সেও খুব বিজি। (ছুটি নিতে পারতেছে না)। দেখা করতে পারবে কিনা জানে না। চেষ্টা করবে একদিন আসতে।

কইলাম, কী করুম বুঝতেছি না। একটু ম্যাসাকার লাগতেছে কলকাতা, কলকাতার মানুষ। আবার ভালোও লাগতেছে। রিচার্জ কইরে কথা কইতেছি। ফোনের চার্জ নাই।

মুম্বাই হোটেলের ব্যাপারে কনফার্ম করতে হবে। তারে বিশেষ কিছু কই নাই। তাড়াও দেখাইলাম না। একটু ভাব লওয়া হইল কি?

ফোন চার্জ দিমু কই এইটাই এখন মূল প্যারা। কেমনে মুম্বাই’র ট্রেন ধরমু? কলকাতায় বেওয়ারিশ ঘুরতেছি। বিধ্বস্ত হয়া গেলাম!

ধুর শালার, ঠিক করলাম, মুম্বাই যামু না। কলকাতায়ই থাকুম।

(কিস্তি ৩)

About Author

হুমায়ূন সাধু
হুমায়ূন সাধু