page contents
লাইফস্টাইল, সংস্কৃতি ও বিশ্ব

যে কারণে সূর্যকে স্পর্শ করার মিশন পাঠাচ্ছে নাসা

নাসা এ পর্যন্ত অনেক গুরুত্বপূর্ণ অভিযানে সফল হয়েছে। চাঁদে মানুষ পাঠানো থেকে শুরু করে দূর মহাকাশে স্পেসক্রাফট পাঠানোতে সফল নাসা, তবে এখন পর্যন্ত আমাদের নিজেদের নক্ষত্র সূর্যে কোনো মিশন পাঠাতে পারে নি। এর কারণ, সূর্যের ভয়ানক তাপ।

সূর্যের পৃষ্ঠের তাপমাত্রা ১০ হাজার ডিগ্রি ফারেনহাইট, আর সূর্যের বায়ুমণ্ডলের তাপমাত্রা ৩.৫ মিলিয়ন ডিগ্রি ফারেনহাইট।

সূর্যের কাছাকাছি যাওয়ার এই মিশনের নাম পার্কার সোলার প্রোব। পার্কার সোলার প্রোবের প্রজেক্ট সায়েন্টিস্ট নিকোলা ফক্স বলেছেন, তাপমাত্রার এই বিপরীত আচরণ অনেক বড় একটা রহস্য এবং আজ পর্যন্ত কেউ এটা ব্যাখ্যা করতে পারে নি।

সূর্যের ছবি, ২০১৫

পার্কার সোলার প্রোবটির নামকরণ করা হয়েছে অ্যাস্ট্রোফিজিসিস্ট ইউজেন পার্কারের নামানুসারে। ইউজেন পার্কার ১৯৫৮ সালে সোলার উইন্ড আবিষ্কার করেছিলেন। ইতিহাসে এই প্রথম কোনো মহাকাশযানের নাম জীবিত কোনো ব্যক্তির নামে করা হয়েছে।

কার্বনের সাথে কার্বনের সংযোগ ঘটিয়ে একটি আবরণ তৈরি করা হয়েছে যেটা মহাকাশযানটির ভিতরের সব জিনিসপত্র সুরক্ষিত রাখবে। ২০১৮ সালের ৩১ জুলাই মিশনটি পাঠানো হবে, এবং এটি ২৪ বার সূর্যকে প্রদক্ষিণ করবে। এটি সূর্যের চার মিলিয়ন মাইল দূরত্বের মধ্যে থাকবে।

সূর্যের কয়েকটা বড় রহস্যের উত্তর জানার জন্য এই দূরত্ব যথেষ্ট। সোলার উইন্ড বা সৌর ঝড় কেন তৈরি হয়, সূর্য থেকে চার্জ পাওয়া কণাগুলি বিপুল বেগে কেন পৃথিবীর ইলেক্ট্রিক্যাল সিস্টেমে আঘাত করে—এইসব প্রশ্নের উত্তর পাওয়া যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ফক্স বলেন, আমরা প্রতিদিন সূর্য দেখি, কিন্তু আমরা এটা নিয়ে বেশি কিছু জানি না। সূর্যই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জায়গা সবশেষে যেখানে আমরা যাব।

About Author

সাম্প্রতিক ডেস্ক