সোনারঙের দিন (১)

শেয়ার করুন!

সংস্কৃতির এখন তখন

১.

আমরা যারা পশ্চিমবঙ্গে একটা উচ্চমানের সংস্কৃতির আবহাওয়াতে বড় হয়েছি, তাদের পক্ষে এখনকার সংস্কৃতির নিম্ন মান ও নিম্ন রুচি মেনে নেওয়া খুব কঠিন।

আমি কোনো এলিটিস্ট কথা বলছি না। এলিটিস্ট কথা বলার মত ব্যাকগ্রাউন্ড আমার নেই। পেডিগ্রি নেই। মানে, ইংরিজিতে যাকে বলে ব্লু ব্লাড, তা আমার কখনো ছিল না। আমি উঠে এসেছি রাস্তার ধূলো থেকে। যেখানে প্রতিনিয়ত মৃত্যুভয় ছিল, এবং বেঁচে থাকাটাই একটা যেন মিরাকল ছিল। কী ভাবে যেন বেঁচে গেছি। আমার খুব কাছের মানুষ অনেকেই বাঁচে নি। আমি টিঁকে গেছি কী করে যেন!

এখন, তিরিশ বছর আমেরিকায় থাকার পর যতই ইন্টেলেক্চুয়াল ও বস্তুগত সফলতা আমি লাভ করি না কেন, আমার অতীতকে আমি কখনো অস্বীকার করি না। আমাকে আমার অনেক শুভার্থী ও শুভার্থিনী জিজ্ঞেস করেন, কেউ বলেন পার্থ, কেউ বলেন পার্থদা, আর কেউ স্যার বলে ডাকেন। তাঁরা বলেন, “আচ্ছা, আপনি এত পড়াশোনা করেছেন, আমেরিকা থেকে সায়েন্স ও হিউম্যানিটিজ—দুটো বিষয়ে ডিগ্রী করেছেন, নিউ ইয়র্ক শহরে আপনাদের নিজেদের বাড়ি, প্রতি বছর একবার দুবার দেশে বেড়াতে যাচ্ছেন, তাছাড়া আমেরিকার বিভিন্ন জায়গায় বা ইউরোপে যাচ্ছেন নানারকম কনফারেন্স টন্ফারেন্স’এ বক্তৃতা দিতে, পেপার পড়তে, আপনি নিশ্চয়ই কলকাতার খুব বনেদি-বর্ধিষ্ণু পরিবারে জন্মেছেন, তাই না?

উত্তরে আমি হাসি। মনে মনে হাসি, কারণ প্রকাশ্যে হাসলে তাদের প্রশ্নের অসম্মান করা হয়, এবং তা আমি কখনো করবো না। তারা প্রশ্ন করছেন আমার কাজকে, শিক্ষাকে, আর হয়তো বা কিছু সফলতাকে অ্যাডমায়ার করার জন্যে। তাদের দিকে ব্যাঙ্গের হাসি হাসার ধৃষ্টতা আমার নেই। যেন কখনো না হয়।

আমি উত্তর কলকাতার একটা খুব গরিব পাড়ায় থাকতাম। সে পাড়ার নাম কলকাতার অধিকাংশ ছেলেমেয়েই জানে না। বলতে পারবে না। কারণ, ফেসবুক যারা ব্যবহার করেন ভারত, বাংলাদেশ থেকে, বা যেসব বাঙালি সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং করেন ইউরোপ-আমেরিকা থেকে, তারা বোধহয় সেসব জায়গা থেকে আসেন নি, এবং সেসব দারিদ্র্যপীড়িত অঞ্চল সম্পর্কে ভালো জানেন না।

আমি যদি বলি, আমি যেখানে থাকতাম, তার নাম মদের গলি, যার আরেক নাম পেয়ারাবাগান, তারা কি ঠিক বুঝতে পারবেন? প্রায় কেউ পারবেন না। আমার স্কুলের বেশ কিছু বন্ধু এখন ফেসবুকে আছে, এবং তাদের বোন বা বৌয়েরা যারা ওসব জায়গায় এক সময়ে ছিল, তারা কেবল বুঝতে পারবে। তারা জানে কী প্রতিকূলতার মধ্যে, এবং কী টালমাটাল সময়ে আমরা এডোলেসেন্ট জীবন কাটিয়েছি। ঐ যে বললাম, বেঁচে আছি এখনো, এটাই যেন একটা মিরাকল।

আমারই শৈশব, বাল্য, কৈশোর, যৌবনের বন্ধু সুব্রত, অঞ্জন, নিখিল, সমীর, শান্তনু, অতীন, আর আমার দাদার মতো বয়েসী ছোটমামা বুদ্ধদেব, এবং আরো অনেকে বাঁচে নি। মৃত্যুদূত এসে একেবারেই অসময়ে তাদের ছিনিয়ে নিয়ে গেছে। আমাকে বোধহয় নেহাৎই করুণাবশতঃ, অনুকম্পাবশতঃ ছোঁয় নি। তবে, আমার মাকে নিয়ে গেছে বেয়াল্লিশ বছর বয়েসে।

যাকগে, এই লেখার উদ্দেশ্য মায়াকান্না নয়। বাকি সব অনেক কথা লিখে রেখেছি আমার স্মৃতিকথার প্রথম খণ্ড ঘটিকাহিনি বইতে। যদি পড়তে চান, পড়ে নিতে পারেন। কিনলে আরো ভালো হয়, দুচার কপি বিক্রি হবে।

লিখছি সংস্কৃতির মান ও তার অবক্ষয় নিয়ে। সেই কথায় আসা যাক।

আমাদের বিশেষ কিছু ছিল না। টিভি, গাড়ি, বাড়ি, ফোন এসব তো বড়লোকদের থাকে, এরকম মনে হত। টিভি তো তখন কলকাতায় আসেই নি। আমোদ-প্রমোদের উপকরণ আমাদের ছিল পাড়ায় পাড়ায় গলি ক্রিকেট, আর গলি ফুটবল খেলা। ক্রিকেট মানে রবারের বল আর একটা কারুর বাড়ি থেকে ধার করা ব্যাট। আর ইটের ওপর ইট সাজিয়ে সাজিয়ে উইকেট। আর ফুটবল মানে একটু বড় সাইজের রবারের বল, আর চটি দিয়ে স্তূপাকৃতি করে গোলপোস্ট। যদি কখনো পাড়ার বড় দাদারা লীগ বা শীল্ড টুর্নামেন্ট করতো, আর বাঁশ দিয়ে গোলপোস্ট, দড়ি দিয়ে ক্রসবার, আর পাড়ার কোনো থার্ড ডিভিশনে একসময়ে খেলা সিনিয়র দাদাকে দিয়ে রেফারি করা হতো, তখন আমাদের মহোৎসব। উত্তেজনায় রাতে ঘুম নেই।

আর একটু বড় হয়ে একদিকে যখন কংগ্রেস সিপিএম আর নক্সালদের তাণ্ডব আর বোমাবাজি চলছে, আর কোনো এক সরু গলির কোণে অল্পচেনা কোনো যুবকের লাশ পুলিশের গুলিতে ঝাঁঝরা হয়ে কাকভোরে পড়ে আছে, সেই সময়ে একটু ফাঁক পেলেই, একদিকে শীতকালে ক্রিকেট টুর্নামেন্ট, আর গরমের ছুটিতে ফুটবল টুর্নামেন্ট খেলতে এপাড়া ওপাড়া চষে বেড়িয়েছি। একটা হয়তো রুপোর কাপ, কিংবা বেশি পেয়েছি একটা তোয়ালে—হাইয়েস্ট স্কোরারের প্রাইজ। তাতেই কী অসীম আনন্দ! যেন মহাযুদ্ধ জয় করে পাণ্ডবকুল হস্তিনাপুরে, মানে পেয়ারাবাগানে নাচতে নাচতে ফিরে এলেন।

ওঃ, সেসব আশ্চর্য সোনারঙের দিন!

২.

ঘটিকাহিনিতে অনেক কথা লিখেছি। কিন্তু, অনেক কিছুই আবার লেখা হয় নি। হয়ে ওঠে নি। একটা বইতে কত কীই বা লেখা যায়! ধরাবাঁধা একটা আয়তনের মধ্যে লিখতে হয়। নইলে, সে বই এত বড়ো হয়ে যাবে যে কেউ কিনে পড়বে না।

এমনিতেই পাঠক পাঠিকাদের ধৈর্য্য আগের মতো তো আর নেই। সময়ও অনেক কমে গেছে। আগেকার দিনে বিমল মিত্র বছরের পর বছর ধরে সাহেব বিবি গোলাম, আর কড়ি দিয়ে কিনলাম লিখে গেছেন মনের আনন্দে। কেউ বলে নি, এবার একটু শেষ করুন, আর ভালো লাগছে না মশাই। শংকর কত অজানারে লিখে গেছেন। বাংলাদেশের বিখ্যাত লেখক হুমায়ূন আহমেদ লিখে গেছেন নন্দিত নরকে, বা জোছনা ও জননীর গল্প। সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় সেই সময়, প্রথম আলো, পূর্ব পশ্চিম লিখেছেন দেশ পত্রিকায় প্রাণভরে। তার পাঠকও অন্য রকম ছিল।

আজকাল সেই পাঠক-পাঠিকা প্রজন্ম আর নেই। এখন অণুগল্প, অণুকবিতা, অণু-উপন্যাসের যুগ। আরো এক দশক পরে হয়তো দেখবো পরমাণু-উপন্যাস বেরোচ্ছে। বা পরমাণু-পদ্য। কিছু বলা যায় না। তারপর সে পরমাণুর বিস্ফোরণ হলেও কেউ তেমন ভয়ানক আশ্চর্য আর হবে না। আমাদের রেসিলিয়েন্স সাংঘাতিক রকম বেড়ে গেছে। আমরা আর কিছুতেই শক্ড হই না।

shonaronga01
প্রকাশক সোমাইয়া আখতার এর সঙ্গে ঘটিকাহিনির লেখক। কলকাতা লিটল ম্যাগাজিন মেলায়। জানুয়ারি ২০১৬।

এখন কথা হলো, কোনটা উচ্চমানের সংস্কৃতি, আর কোনটা সাধারণ মানের। কোনটা সু-সংস্কৃতি, কোনটাই বা অপ। অপ’র বিচার কোন অপোগণ্ড করবে? লোকে বলবে, তুমি বিচার করার কে হে ছোকরা? মানে, বয়েস অনুযায়ী আমাকে ছোকরা কেউ আর বলবে না ঠিকই, কিন্তু সাহিত্য সংস্কৃতি শিল্পের বাজারে আমি তো আর তালেবর কেউ নই। এই দেখুন না, আমার বন্ধু-বান্ধবীরাই আমার এত খেটেখুটে লেখা স্মৃতিকথা ঘটিকাহিনি কিনে উঠতে পারলেন না এখনো। বলেন কিনবো আমি পঞ্চাশবার ঘ্যান ঘ্যান করার পর, কিন্তু আসলে কেনেন না। দু’চারজন কিনেছেন। জানি না, আবার অক্সফোর্ড বা দেজ’এ গিয়ে ফেরৎ দিয়ে এসেছেন কিনা।

তো সেই আমি হলাম শিল্প সাহিত্যজগতের ছোকরা। আমার বলার কী এক্সপার্টিস আছে কোনটা মহান, আর কোনটা দোকান। কোনটা যুগান্তকারী, আর কোনটা কালোবাজারি। তা তারা যাই বলুন না কেন, আমি জানি কোন পদ্য পদ্য, আর কোন কবি লিখতে শিখেছেন সদ্য। কী করে বলতে পারি? ওটা বর্ণনা করা মুশকিল। পড়তে পড়তে পড়তে পড়তে, লিখতে লিখতে লিখতে লিখতে এ করকম ধারণা হয়ে গেছে। তারপর আছেন রবীন্দ্রনাথ, অগতির গতি, অকূলের কূল। বাংলা লেখায় যদি এক পাতায় পাঁচটা বানান ভুল থাকে, সে একধরনের গদ্য। সেসব লেখা পড়ে পড়ে আমি হদ্দ। আর এক ধরনের লেখা শুরু হয়েছে, তাতে শুধু বাইরের চাকচিক্য, কিন্তু ভেতরে কিস্সু নেই। একেবারে অন্তঃসারশূন্য। মাল একেবারে পয়মাল।

এখন রবি ঠাকুর বলেছেন, কোনটা ভালো, কোনটা মন্দ। বলছেন, লোকে যদি রাজপ্রাসাদের দেউড়িতে গিয়ে লালনীল ঝকমকে উর্দিপরা, বিশাল চোমরানো গোঁফের দারোয়ানকে দেখে ভাবে এই হলো রাজা, আর তাকে ভূমিষ্ঠ হয়ে পেন্নাম ঠুকে বাড়ি চলে আসে, আর সবাইকে এসে বলে, রাজামশাইকে দেখে এলাম, আর তাই শুনে তার গেরামের লোকেরা তাকে ধন্য ধন্য করে, তাহলে তা হবে অন্তঃসারশূন্যতা। সে তো আসলে রাজাকে দেখলোই না। আর যে লোকটা বহুকাল ধরে অপেক্ষা করে, দারোয়ানকে পটিয়ে, পুরুতমশাইকে হাতেপায়ে ধরে, রাজার নাপিতকে জিজ্ঞেস করে, রাজার ভাগ্নের খাস চাকরের সঙ্গে ভাব জমিয়ে, অন্দরমহলের প্রধান দাসীর কৃপাধন্য হয়ে, একদিন শুক্লপক্ষের ত্রয়োদশী তিথিতে রাজামশাই যখন উপরমহল থেকে নিচের মহলে নামছেন কেবলমাত্র নির্বাচিত ভক্তদের দর্শন দেবার জন্যে, তখন ঠিক সময়মত রাজামশায়ের হাঁটার পথে গড় হয়ে পেন্নামটা সেরে ফেলতে পারে, সেই শেষ পর্যন্ত জিতে গেল। ফিরে যাবার পর তার কথা তার গেরামের অশিক্ষিত লোকে বিশ্বাস করতে নাও পারে, কিন্তু তাতে তার কিছু আসে যায় না। কারণ সে জানে, সে আসল রাজার দর্শন পেয়েছে। তার জীবন ধন্য।

আসলে রবীন্দ্রনাথ ঠিক এইভাবে বলেন নি। আমি একটু কায়দা করে প্যারাফ্রেজ করে দিলাম। ওই দারোয়ান আর রাজার ব্যাপারটা ঠিক আছে। ঠাকুর চাকর উড়ে বামুন এসব উনি বলে যান নি। আমি বললাম। একটু নিজগুণে ক্ষ্যামাঘেন্না করে দেবেন, প্লিজ।

তাহলে, আসল কথা হলো, বাইরের চাকচিক্যই সংস্কৃতি নয়, শিল্প নয়, সাহিত্য নয়, সিনেমা নয়, নাটক নয়, নৃত্য নয়। এগুলোকে অনেকে বলেন কিচ (kitsch)। এর ভেতরে কিছু নেই। এখন, আজকের দিনে, সর্বগ্রাসী মিডিয়ার সৌজন্যে, আমরা শিখছি এই অন্তঃসারশূন্যতাই আসল সার। তারা বলছে, দারোয়ানই রাজা, এবং আসল রাজাকে দেখবার দরকারই নেই। তারা বলছে, রাজা মরে গেছে কবে! তাকে আর দেখার চেষ্টা করাই বৃথা।

কিন্তু এ রাজা অমর। আমরা জানি তিনি আছেন। আমরা তাঁর দেখা পাবার সাধনা করে যাচ্ছি সারাজীবন ধরে। প্রতিদিন। নিশিদিন।

আমরা জানি তাঁর দেখা পাওয়া সহজ নয়। কিন্তু আমরা জানি, সারাজীবন ধরে, মনপ্রাণ দিয়ে প্রার্থনা করে গেলে একদিন তিনি দেখা না দিয়ে পারবেন না।

একলব্য যেমন দ্রোণাচার্যের মূর্তি প্রতিষ্ঠা করে তাঁর ঐকান্তিক সাধনা করে সিদ্ধিলাভ করেছিল। বাল্মীকি যেমন তপস্যা করে দস্যু রত্নাকর থেকে মহাকবি হয়েছিলেন।

আমরাও সিদ্ধিলাভ করবো, কারণ আমরা জানি আমরা কী খুঁজছি। সে অরূপরতন আমরা খুঁজে পাবোই পাবো।

(কিস্তি ২)

কমেন্ট করুন

মন্তব্য

SHARE
Previous articleলকড ডোর ডেথ (১)
Next articleঅল ঘোড়া কন্ট্রোল (২)
পার্থ বন্দ্যোপাধ্যায়

পার্থ বন্দ্যোপাধ্যায় তিরিশ বছর ধরে আমেরিকায় আছেন। কলকাতায় ছিলেন জীবনের অর্ধেক। এখন স্থায়ীভাবে নিউ ইয়র্কের বাসিন্দা। মানবাধিকার, বিশেষত ইমিগ্র্যান্টদের অধিকার ও শ্রমিক ইউনিয়ন—এই দুই বিষয়ে পেশাদারিত্ব। ইলিনয় থেকে পি এইচ ডি করার পর বিজ্ঞান ছেড়ে সাংবাদিকতা ও হিউম্যানিটিস নিয়ে পড়াশোনা করেছেন কলম্বিয়া ইউনিভার্সিটিতে। শৈশব থেকে রাজনৈতিক অঙ্গনের সক্রিয় কর্মী ছিলেন। ১৫ বছরেরও বেশি সময় আর এস এস ও বিজেপির সাথে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত থাকার পর রাজনৈতিক ও আদর্শগত কারণে বেরিয়ে আসেন। তাদের সম্পর্কে বই ও নানা রচনা লেখেন। রাজনীতি ছাড়া বাংলা ও ভারতীয় সঙ্গীত, সাহিত্য, চলচ্চিত্র, নাটক, শিল্পকলা ইত্যাদি বিষয়ে আগ্রহ। সাংস্কৃতিক সংকট ও বিশ্বায়িত অর্থনৈতিক আগ্রাসন সম্পর্কে পার্থ বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Partha Banerjee) বিশ্লেষণ ইউটিউব ও ফেসবুকে পাওয়া যায়। রবীন্দ্রসংগীতে ও বাংলা আধুনিক গানে বিশেষ উৎসাহ। ২০১২ সালে কলকাতা থেকে রবীন্দ্রনাথের গানের সিডি “আরো একটু বসো” প্রকাশিত হয়। ২০১৬ সালে আত্মজীবনী ‘ঘটিকাহিনি’র প্রথম খণ্ড প্রকাশিত হয়। বাংলা ও ইংরাজিতে লেখেন। উইকিপিডিয়া লিংক: http://en.wikipedia.org/wiki/Partha_Banerjee

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here