আবাসিক হোটেল গুলিতে এরকম হ্যাকিংয়ের আশঙ্কা সবচেয়ে বেশি।

সাইবার নিরাপত্তা নিয়ে যারা সচেতন থাকেন  তারা সাধারণত পাবলিক  ওয়াই-ফাই ইউজ করেন না। ব্যক্তিগত মেসেজ লেনদেনে ভিপিএনের সাহায্য নেন তারা।  নেটওয়ার্ক নিরাপত্তা নিয়ে কাজ করা ওয়েবসাইট ‘ফায়ার আই’ এর মতে, পাবলিক ওয়াইফাই হটস্পটের ক্ষেত্রে এই সতর্কতা নেওয়াটা খুব জরুরি।

আবাসিক হোটেল গুলিতে এরকম হ্যাকিংয়ের আশঙ্কা সবচেয়ে বেশি।

জুলাই মাসের (২০১৭) শুরুতে অন্যান্য সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সঙ্গে অন্তত ৭ ইউরোপীয় হোটেল ও  মধ্যপ্রাচ্যের একটি হোটেলে ক্ষতিকারক ডকুমেন্ট সহ বেশকিছু ইমেইল পাঠানো হয়। ডকুমেন্টগুলিতে একটা ম্যাক্রো ছিল, যা ‘গেমফিশ’ ম্যালওয়্যারটিকে ইন্সটল করতে সক্ষম।

ম্যালওয়্যারটি ‘এপিটি২৮’ (ফ্যান্সি বিয়ার) নামে পরিচিত রাজনৈতিকভাবে উদ্বুদ্ধ রাশিয়ান একটি হ্যাকিং গ্রুপের সাথে সম্পর্কিত।

ম্যাক্রো সম্বলিত ক্ষতিকারক ডকুমেন্ট (Hotel_Reservation_Form.doc)

রাশিয়ান এই হ্যাকিং গ্রুপটিই গত বছর আমেরিকান নির্বাচনের আগে ডেমোক্রেটিক ন্যাশনাল কমিটি হ্যাক করেছিল বলে ধারণা করা হয়।

প্রাথমিকভাবে গেমফিশ ম্যালওয়্যারটি ইন্সটল হবার পর ‘ইটারনালব্লু’ টুলের মাধ্যমে হ্যাকিংয়ের কাজ শুরু হয়। এই টুলটি ইউএসের ন্যাশনাল সিকিউরিটি এজেন্সি থেকে ফাঁস হয়েছিল।

ইটারনালব্লু টুলের মাধ্যমে হোটেলের ওয়াইফাইয়ের সাথে কানেক্ট করা যেকোনো কম্পিউটারে প্রবেশ করে হ্যাকাররা ব্যবহারকারীর পাসওয়ার্ড ও ইউজারনেম জেনে নিতে পারে। এর জন্য ব্যবহারকারীদেরকে তাদের নাম বা পাসওয়ার্ড টাইপ করারও প্রয়োজন হবে না। এতটা চুপিসারে হ্যাকিংয়ের কাজ করে ফেলা যায় বলেই বিশেষজ্ঞরা পর্যটকদেরকে অধিক সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন।

সূত্র. এনগ্যাজেট, ১২/৮/২০১৭