page contents
সমকালীন বিশ্ব, শিল্প-সংস্কৃতি ও লাইফস্টাইল

About Author

সাঈদ রূপু
সাঈদ রূপু

স্ট্যামফোর্ড ইউনিভার্সিটি থেকে সাংবাদিকতায় অনার্স।

Author Posts

“আমি তো চাচ্ছি না কবিতাকে অনেক বেশি বাঙ্ময় টাইপের করতে।”—সাদ রহমান

ভাষাটাকে ইম্পোর্ট্যান্ট মনে হইছে, ফলে ভাষার ভিতরে একটু আলাদা বা একটু উল্টাপাল্টা এরকম কিছু চেষ্টা করছি।

“মানুষজন বলল হ্যাঁ এটা তো গল্প হইছে, তো আমি বুঝলাম হ্যাঁ, গল্প বোধহয় এরকমই।”—কাসাফাদ্দৌজা নোমান

চমকাই, আবার হতাশ হই, শব্দগুলো বুঝি, ভাষা বোঝার চেষ্টা করি। তো আমার মনে হয় ওখান থেকেই ধীরে ধীরে উপন্যাস লেখার চিন্তাটা আসা।

“বাংলাদেশের মাটির গন্ধটা আমাদের মুক্তিযুদ্ধের গল্প-উপন্যাসে খুব কম আমরা পেয়েছি।”—সাইফুল ইসলাম

তাদের স্পেস তো অনেক। অনেক দিন ধরে লিখতে পারবে। ফলে অনেক সঠিক জায়গায় তারা পৌঁছাইতে পারবে। আমি তো একদম শেষ বয়সে লেখা শুরু করছি।

“এই বইটার সাড়া, টিনেজদের মধ্যে ভালো।”—তাবাস্‌সুম আরজু

বইয়ের জন্যে তো বইমেলা দরকার নাই, যখন মন চাইবে আপনি বই বের করতে পারেন।

“ছোটবেলা থেকে আমি একটু ভাবুক ছিলাম।”—ঝর্না রহমান

আমি যখন স্কুলে পড়ি তখন থেকেই আমি একটু একটু লিখি। প্রকাশ হয় নি। কিন্তু আমার খাতা ছিল, খাতার মধ্যে লিখে রাখতাম।

“কবিতা কম লেখার কারণ হইল, আমি একই বিষয়ে আবার লিখি না।”—সাযযাদ কাদির

উনি (আহমাদ মোস্তফা কামাল) লিখেছেন, এই ধরনের গল্প তখনো কেউ লিখতে পারে নাই এবং এখনো কেউ লিখতে পারবে না—উনি এই চ্যালেন্জটা করে দিয়েছেন।

“রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরই বেশি প্রিয়, পাশাপাশি হুমায়ূন আহমেদ ভাল্লাগে।”—তাহসিনুল ইসলাম

প্রাথমিক অবস্থায় ফেসবুকের মাধ্যমে লেখালেখি, গল্প লেখা শুরু। এখান থেকেই অনেকের অনুপ্রেরণা থেকেই আর কি উপন্যাস লেখা।

“যারা এখন কোটি কোটি টাকার মালিক, লেখকেরা, তাদের হাত দিয়ে কিন্তু ভালো লেখা আসছে না।”—নূরুল আনোয়ার

সাহিত্যটা আমার যদি অভিজ্ঞতা না থাকে আমি কল্পনা করে কোনো কিছু লিখতে পারবো না।

“আমার কোনো পরিবেশ লাগে না।… একা হওয়াটা খুব সোজা।”—ফরিদ কবির

মানুষের মধ্যে সব কিছু উপাদান আছে। গাছের উপাদানও আছে। কখনো কখনো নিজেকে আমার গাছও মনে হয়। তো, এইগুলিই আমার বিষয়।

“যা কবিতা লেখার সেটা ১৯৬০ সালে লেখা হয়ে গেছে।”—সোয়েব মাহমুদ

আমি যেটা করি যে, আমাদের সমসাময়িক যারা আছেন, আমি তাদের কবিতাই বা তাদের ছোটগল্প, তাদের গল্প—সেগুলাই পড়ছি।