page contents

About Author

সুচিস্মিতা তিথি
সুচিস্মিতা তিথি

জন্ম. চট্টগ্রাম, জুন ১৯৯৮। পড়াশোনা করেছেন চট্টগ্রামের বাওয়া স্কুল, ঢাকার আজিমপুর গভমেন্ট গার্লস স্কুল এবং মতিঝিল আইডিয়াল কলেজে। বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগে বিএসএস করছেন।

Author Posts

যীশু ডাকেন তোমায়

বিকালবেলায় আশিকি যখন পাড়ার অন্যসব ছেলেপেলেদের সাথে ফুটবল খেলত, তখন আমি এক কোণায় গালে হাত দিয়ে বসে থাকতাম।

ড তে ডায়েরি

আমার শুধু মনে হতো কেউ একজন আমার ডায়েরিটা পড়ে ফেলতেছে।

নোভা

ললিপপের সাদা কাঠিটা তার মুখ থেকে বের হয়ে আছে। চিকন একটা সাদা সিগারেট মনে হচ্ছে দেখে।

“আমার সাম্প্রতিক কবিজীবন অনেকটাই স্মার্টফোন নির্ভর” – তানিম কবির

‘সকলই সকল’ বইটি নিয়ে কবির সঙ্গে কথা বলেছেন সুচিস্মিতা তিথি।

ইউনিফর্ম পরে পার্কে যেও না!

ও দৌড় দিয়া পালাইছিল। আর আমি কান্নাকাটি করে পুলিশকে রিক্যুয়েস্ট করছি সায়েমের কথা যেন আব্বারে না বলে। পুলিশটা ভাল ছিল। আব্বারে কিছু বলে নাই।

বেঙ্গলের ক্লাসিক্যাল শুনতে গিয়ে

কিন্তু একটু পর খেয়াল করলাম, কোথায় যেন গান বাজতেছে! একটু পর বুঝলাম কেউ একজন ক্লাসিক্যাল শুনতে এসে গ্যালারিতে বসে ফোনে অন্য গান শোনা শুরু করছে!

কীভাবে তাকে ধরবো?

কাগজটা নিয়েই লিজা জানালা দিয়ে ফেলে দিছে। ম্যাডাম জিগ্যেশ করছে ,“ কাগজটা ফেলে দিয়েছ কেন?” “ম্যাডাম ঐটা গোপন জিনিস?” “কী গোপন?” “আমার বয়ফ্রেন্ডের চিঠি।”

আর্ট-কালচারের দিনগুলি

বাওয়া স্কুলের পাশাপাশি আমার মা’র আরো কতগুলি ইচ্ছা ছিল। তার মধ্যে দুইটা হচ্ছে আমাকে শিশু একাডেমিতে ভর্তি করায়ে নাচ-গান শেখানো।

মুনিরুল ইসলাম মুনির

গ্রামের স্কুলের একটা কমন বৈশিষ্ট্য হইলো মাইর। মাইর দেয়াও যে একটা আর্ট সেইটা গ্রামের স্যারদের না দেখলে বোঝাই যায় না।

বাবার সঙ্গে বিশ্বকাপ দেখার দিনগুলি

আমার চেহারা দেখে বাবা হেসে ফেলছে, আর্জেন্টিনার পতাকা লাগাইতে কে বলছে?