page contents
সমকালীন বিশ্ব, শিল্প-সংস্কৃতি ও লাইফস্টাইল

পারমিতা হিম Archive

কেন জাফর ইকবাল স্যাররে দেখলে পালায়ে যাইতে হয়

এক মেয়ে এসে আমাকে বলল সে জাফর ইকবাল এর অটোগ্রাফ নিতে চায়। লজ্জায় বলতে পারতেছে না।

ভুলোমন

বেশিরভাগ সময়ই যে ক্লাস পাস করলাম, সে ক্লাসের বইই বাবা আবার কিনে আনত।

স্যার

স্যার যখন বিয়ে করল, তখন আমার স্যারি, মানে স্যারের বউয়ের পিছে পিছে সারাদিন থাকতাম আমি।

দুর্গাপূজার ছুটিতে

তখন দুর্গাপূজার ছুটিতে আমরা সবসময় দাদুর বাড়ি যাই।... দাদুর যে গ্রাম—আনোয়ারা জয়কালীহাট, সেটা একটা অসাধারণ সুন্দর গ্রাম।

শার্লক হোমস

আমি শুয়ে শুয়ে এখান থেকে কীভাবে পালাবো ভাবছি। আর ভান করছি গভীর ঘুমের। এমন সময় একটা লোক এসে ঢুকল ঘরে।

বনভোজন

কটকটিওয়ালার সাথে চুক্তি ছিল। ভালো বাল্ব দিলে ডাবল কটকটি। তার কাছ থেকে নষ্ট বাল্ব ধার নিয়া রাখতাম।

আর্ট-কালচারের দিনগুলি

বাওয়া স্কুলের পাশাপাশি আমার মা’র আরো কতগুলি ইচ্ছা ছিল। তার মধ্যে দুইটা হচ্ছে আমাকে শিশু একাডেমিতে ভর্তি করায়ে নাচ-গান শেখানো।

বর্ষার বিয়ে

চারিদিকে থই থই পানি। আর অনেক উঁচুতে তীর। মনে আছে আমাদেরকে দড়ি বেঁধে তীরে ওঠানো হইছিল।

টয়লেট খুঁজতে গিয়ে মৃত্যু হলো দুই কিশোরীর—লজ্জিত না, ক্রুদ্ধ হওয়া উচিত আমাদের!

লজ্জায় লাল হওয়া বন্ধ করে আমাদের উচিত এটা নিয়ে খোলাখুলি কথা বলা। এটা লজ্জার বিষয় না, বরং ক্রুদ্ধ হওয়ার মত বিষয়।